
স্থানীয় মসলেম উদ্দিন, কামাল, হোসেন, তারা মিয়া, সোলেমান হোসেন বলেন, ‘চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ ও গুরুদাসপুর উপজেলার অন্তত চারটি ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম সড়ক এটি। ধান, সরিষা ও ভুট্টাসহ এ অঞ্চলের কৃষকের উৎপাদিত কৃষি পণ্য সরবরাহ করা হয় এ পথেই। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতে যাওয়ার রাস্তাও এটি। এ রাস্তাটি সংস্কার না করায় অন্তত লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পরেছে।
ঠিকাদার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এই রাস্তা সংস্কারের জন্য ১২ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়েছে। আমরা দরপত্র জমা দিয়ে ওয়ার্ক ওয়ার্ডার পেয়ে কাজও শুরু করেছিলাম। কিছু কাজ করার পর জানতে পারি ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সঙ্গে সরকারের চুক্তি সই না হওয়ায় বরাদ্দ অনুমোদন হয়নি। এ কারণে কাজ বন্ধ করে দেই। পড়ে বরাদ্দ পেয়ে কাজ শুরু করি। তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল মিকচার মেশিন নতুন হওয়ায় বিটুমিন মেশানোর একটু সমস্যা হয়। সেই কারণে এলাকাবাসীরা কাজটি বন্ধ করে দেয়। এখানে মারপিটের কোন ঘটনা ঘটেনি। দুই/এক দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলইজিডির সহকারী প্রকৌশলী (আরটিআইপি) সৌরভ সাহা বলেন, আমাদের অফিসের অনুমতি না নিয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না বলে মোবাইল রেখে দেয়। সিরাজগঞ্জ এলইজিডির প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের সাথে বার বার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিপ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান