প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ১:৫৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
পেয়ারা চাষে সফল নবাবগঞ্জের আবুল কাশেম

মাহফুজুর রহমান, নবাবগঞ্জ দিনাজপুরঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে ভাগ্য ফিরেছে আবুল কাশেম নামে এক কৃষকের। বর্তমানে তার বাগানে রয়েছে ১০০০টি থায় পেয়ারার গাছ। আর এ বাগান থেকে উত্তোলন করা পেয়ারা বিক্রি করে তার প্রতি ৫ মাসে আয় হবে প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা। এই কৃষকের সাফল্য পুরো এলাকায় সাড়া ফেলেছে।
আবুল কাশেমের বাড়ি উপজেলার হলাইজানা গ্রামে।এক সময় তিনি আমের ব্যবসা করে সংসার চালাতেন কিন্তু দেশে হঠাৎ করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেওয়াতে তার আমের ব্যবসায় ধস নামে।আমের ব্যবসাতে ব্যাপক টাকা লোকসান হওয়াতে,ব্যবসার সব পুজি হারিয়ে ফেলেন তিনি।তারপর বেশ কিছুদিন বেকার থাকার পর বেয়াইয়ের পরামর্শে পতিত ৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে গড়েছেন থাই পেয়ারার বাগান। সেই বাগানে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে বেশ কয়েকজন বেকার যুবকের। তার বাগানে রয়েছে ১০০০ টি থাই পেয়ারার গাছ। দেড় বছর বয়সে গাছের উচ্চতা দাঁড়িয়েছে আড়াই থেকে তিন ফুট লম্বা।তার পর থেকেই পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই আবুল কাশেমকে, এখন এ বাগান থেকে প্রতি ৫ মাস পর পর আয় করতে পারবে ৫ লাখ টাকা।বাগানের প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় দুলছে আবুল কাশেমের স্বপ্ন।
আবুল কাশেম জানান, আমি একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলাম। বিভিন্ন বাগান থেকে ফল ক্রয় করে ঢাকায় বিক্রি করে চলত আমার সংসার। তবে আমার বেয়াইয়ের পরামর্শে ৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে আমি একটা পেয়ারার বাগান করেছি। সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে অনেকের। আমি ইতিমধ্যে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ করেছি। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছি। আশা করছি, প্রতি ৫ মাস পর ৪-৫ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করব।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.