
এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া শহরের বিসিক মগলিশপুর এলাকায় করতোয়া সার্বজনীন শ্মশান ঘাটে মহা ধুমধাম করে দুই গাছের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ মানুষ বিয়ের দাওয়াত খেয়েছেন বলেও জানা গেছে। আয়োজকদের দাবি, এতে গ্রামের মঙ্গল হবে। শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় সেখানে নারায়ণ পূজার মধ্য দিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বট গাছকে ‘বর’ ও পাকুড় গাছকে ‘কনে’ ধরে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে বটের নাম রাখা হয় ‘অন্তর’। আর পাকুড়ের নাম রাখা হয় ‘রুপালী’। এই বিয়েতে পাকুড়ের বাবা-মা হয়েছিলেন শ্রী সুশীল চন্দ্র দাস ও প্রতিভা রানী দম্পতি।
বটের বাবা হয়েছিলেন শ্রী নাথু রাম সরকার ও মা হয়েছিলেন চপলা রানী। স্থানীয়রা জানান, মগলিশপুর সার্বজনীন করতোয়া শ্মশান ঘাটে ১৬ বছর আগে পাশাপাশি গাছ দুটি লাগানো হয়েছিল। হিন্দু ধর্মমতে বট-পাকুড়ের বিয়ে দেওয়া হলে গ্রামের মানুষের মঙ্গল হয়। আমাদের পবিত্র গীতায়ও বট-পাকুড়ের বিয়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। অনেক আগ থেকেই এ ধরনের বিয়ের রীতির প্রচলন হয়ে আসছে। তাই এই রীতি মেনেই মানুষের মতো ঘটা করে মহা ধুমধামে তাদের বিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিয়ে ঘিরে বর-কনের পাশে ছাদনাতলা সাজানো হয়। রঙিন কাগজে সাজানো হয় পুরো শ্মশান ঘাট। টাঙানো হয়েছিল সামিয়ানা। লাগানো হয় দৃষ্টিনন্দন লাইট। বিয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয় চারপাশ। হিন্দু রীতি অনুসারে কলাগাছ দিয়ে সাজানো ছিল বিয়ের …

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল