হোম » সারাদেশ » প্রতিপক্ষের মারপিটে বগুড়া শেরপুর গাড়িদহ ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থক গুরুতর আহত

প্রতিপক্ষের মারপিটে বগুড়া শেরপুর গাড়িদহ ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থক গুরুতর আহত

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরের গাড়িদহ ইউনিয়নের নির্বাচনে প্রতিপক্ষের মারপিটে ২৫ ডিসেম্বর শনিবার রাতে ইউপি সদস্য প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের সমর্থক রফিকুল ইসলাম(৪৫) রক্তাক্ত জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আহতের ভাই বাদি হয়ে জাহিদুল ইসলাম(৩০), সোহরাব হোসেন(৫০), বিপু(২৫), দুলাল হোসেন(৫০), ওবাযদুল হক(৫০), মোয়াজ্জেম হোসেন(৪২), আইয়ুব আলী(৪০), মো. মোস্তফার(৪৮) বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, আগামী ৫ জানুয়ারী ইউপি নির্বাচনে ২ নং গাড়িদহ মডেল ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে মোরগ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন কাফুড়া গ্রামের মৃত ইশারত আলীর ছেলে আবুল কালাম আজাদ। মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার দিন থেকে আবুল কালাম আজাদ ও তার সমর্থকদের নানা ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের আব্দুল মান্নান (ফুটবল প্রতীক) ও তার সমর্থকরা। এরই জের ধরে ২৫ ডিসেম্বর শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আবুল কালাম আজাদের সমর্থক রফিকুল ইসলাম কাফুড়া পূর্বপাড়া নির্বাচনী ক্যাম্পে প্রচারণা চালানোর সময় আব্দুল মান্নানের সমর্থক কাফুড়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম, মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে সোহরাব হোসেন, জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে বিপু, শাজাহান আলীর ছেলে দুলাল হোসেন, নুর ইসলামের ছেলে ওবায়দুল হক, মালেক শেখের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন, আবু বক্কারের ছেলে আইয়ুব আলী ও সোহরাব হোসেনের ছেলে মো. মোস্তফা সহ ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী ক্যাম্পে প্রবেশ করে প্রচারণা বন্ধ করে দেয়।
এ সময় রফিকুল ইসলামের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা লাঠি, লোহার রড ও হাসুয়া দিয়ে এলোপাথারী মারপিট শুরু করে। এতে রফিকুল ইসলামের মাথা থেকে রক্ত বের হলে সে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধারের জন্য তার ভাই মঞ্জুর রাহী, আব্দুল গণি, ভাতিজা আব্দুল্লাহ ও নাতি সুজন হোসেন এগিয়ে গেলে তাদেরকেও মারপিট করে আহত করে। তাদের চিৎকারে এলকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে রফিকুল ইসলাম কে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই মঞ্জুর রাহী বাদি হয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!