
রবিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে মামলার বাদী মোছা. মুক্তা খাতুন বলেন, গত ২৬ নভেম্বর ২০২১ তারিখে সকালে অভিযুক্ত রেমান খন্দকার আমার মেয়েকে টেলিভিশন দেখানোর কথা বলে কৌশলে বাড়িতে নিয়ে পরণের কাপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিয়ে কান্নাকাটি করলে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে রেমান খন্দকার পালিয়ে যান। পরে এ নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক বসলেও ঘটনার মিমাংসা না হওয়ায় আমি গত ৬ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জ মোকাম বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইন (সংশোধনী/০৩) এর ৯ (৪) খ ধারায় মামলা দায়ের করি। পরে আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য সিরাজগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে নির্দেশ দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মামলা করার পর থেকে আমাদের গ্রামের মাতব্বর আব্দুল বাছেদ, শুকুর আলী বিভিন্ন সময় আমাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। বাড়ী-ঘর ছেলে চলে যেতে বলছে। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য জোড়-জুলুম করছে এবং আমাদের বিরুদ্ধে ঘটনার পর বাড়ী-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।
শিয়ালকোল ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য মোন্নাফ হোসেন বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। বিষয়টি দুই পক্ষ মীমাংসা করার জন্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু সমাধান করা করতে পারেনি। দুই পক্ষ মামলা করেছে শুনেছি। আইনের মাধ্যমে সঠিক বিচার হবে এটাই আশা করছি।