
আমতলী প্রতিনিধি: আমতলীতে স্বামী স্ত্রীর দাম্পত্য কলহের শিকার হয়েছে ৭ মাসের শিশু হানিফ। উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কেওয়াবুনিয়া গ্রামে শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে গত ৫ বছর পূর্বে কুকুয়া ইউনিয়নের কেওয়াবুনিয়া গ্রামের খালেক প্যাদার ছেলে বিপ্লব প্যাদার সাথে একই ইউনিয়নের পূর্ব কেওয়াবুনিয়া গ্রামের হাবিব মাদবর এর মেয়ে কুলসুম বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তারা দুজনেই ঢাকার জাজিরায় ইট ভাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে আসছিলো।
২০ দিন আগে বিপ্লব মারধর করে কুলসুমকে তার ৭ মাস বয়সী শিশু পুত্র হানিফকে নিয়ে কুলসুমের পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে কুলসুম তার পিতার বাড়িতেই বসবাস করে আসছিলো। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বিপ্লব কুলসুমের বাবার বাড়িতে গিয়ে জোর পূর্বক কুলসুমের কাছ থেকে তার ৭ মাস বয়সী ছেলে হানিফকে নিয়ে আসে। শুক্রবার সকালে কুলসুমের বাবার বাড়ির সামনে হানিফার লাশ দেখতে পেয়ে থানায় থবর দিলে আমতলী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেন।
নিহত শিশু হানিফের মাতা কুলসুম বেগম বলেন, আমাদের মধ্যের দাম্পত্য কলহের জেরে বিপ্লব জোর করে আমার শিশু পুত্রকে আমার কাছ থেকে নিয়ে হত্যা করেছে। বিপ্লব পলাতক থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই। আমতলী থানার অফিসার ইন চার্জ একেএম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত শিশু হানিফ এর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমতলী থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মেলান্দহে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ ধরা পড়ল স্বামী-স্ত্রী
ডিমলায় একদিনে পাঁচ খাতে সরকারি সহায়তা বিতরণের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য