
টঙ্গী প্রতিনিধি: টঙ্গীতে দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে রাজনীতির মাঠে একজন সৎ ও কর্মঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত মো: কবির হোসেন গাজীপুর মহানগরের ৫৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী। কাংখিত পদ পেলে দলীয় সাংগাঠনিক কার্যক্রম বেগবান করাসহ সৎ ও কর্মঠ নেতাকর্মীদের নিয়ে ওয়ার্ড যুবলীগকে সারাদেশের জন্য পথিকৃৎ ও প্রকৃত রাজনীতির মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন। সম্প্রতি দৈনিক গণমানুষের আওয়াজে দেওয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
কবির হোসেন বলেন, আমার বাবা মৃত্যু: জয়নাল আবেদীন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশ মেনে চলেছেন। আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। বাবাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে আসা। ১৯৭৭ইং সালে শরিয়তপুর জেলা,
থানা: ডামুড্যা, পোষ্ট: দারুল আমান, গোয়াখোলা গ্রামে আমার জন্ম হলেও আমি টঙ্গীর নাগরিক। বিবাহিত জীবনে এক
ছেলে ও এক মেয়ের জনক আমি এবং রাজনীতির পাশাপাশি কুটি শিল্পের হাড়ওয়্যার ব্যবসা করি।
প্রশ্নঃ ভবিষ্যতে দলীয় কোন পদ পেতে আপনি আগ্রহী?
কবির হোসেন: আমি গাজীপুর মহানগরের ৫৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী।
প্রশ্নঃ এ পদে আপনি নিজেকে কতটুকু যোগ্য মনে করেন?
কবির হোসেন: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেমের আত্মজীবনী জেনে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিগত ৩১ বছর ধরে টঙ্গী শহরে সততা ও স্বচ্ছতার সহিত রাজনীতি করে আসছি। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচী যথাযথ ভাবে পালন করে আসছি। তাছাড়াও আওয়ামীলীগের দুর সময় ১৯৯০ সালে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে এরশাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ৯১—৯৬ ও ২০০১—০৬ সালে খালেদা জিয়ার সন্ত্রাসী বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনে যোগ দিয়েছি। ২০০৪ সালে বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীরা যখন আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রয়াত সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করে। তখন এর প্রতিবাদে রাজপথে বিক্ষোভ করেছি।
ওয়ান ইলেভেনে তখন প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মধ্যে শত বাধা উপেক্ষা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার গ্রেফতারের প্রতিবাদে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে আমরা ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ছিলাম। তাছাড়া রাজনীতিতো করি মানুষের জন্যই, তাই মানবের কল্যাণে সামাজিক কাজকান্ডসহ দুভোর্গকালিন শীতার্ত, বন্যার্তদের সহযোগিতাসহ মহামারী করোনাকালে নিজ উদ্যোগে অবহেলিত দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেছি। আমি মনে করি, এ ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদের জন্য আমি একজন যোগ্য প্রার্থী। আমি আশা করি, কেন্দ্র ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ আমার অতীত কার্যক্রম বিবেচনা করে আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি শতভাগ আশাবাদি।
প্রশ্নঃ কাংখিত পদ পেলে কিভাবে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন?
কবির হোসেন: কাংখিত পদ পেলে দলীয় সাংগাঠনিক কার্যক্রম বেগবান করব। সৎ ও কর্মঠ নেতাকর্মীদের নিয়ে এই
ওয়ার্ড যুবলীগকে সারাদেশের জন্য পথিকৃৎ ও প্রকৃত রাজনীতির মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।
প্রশ্নঃ ওয়ার্ড যুবলীগের কমিটি কবে হবে? কবির হোসেন: দীর্ঘদিন যাবৎ এই ওয়ার্ডে নতুন কোন যুবলীগের কমিটি হয়
নি। সম্প্রতি গাজীপুর মহানগর যুবলীগের নেতৃত্বে মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারই
ধারাবাহিকতায় ৮ই নভেম্বর এই ওয়ার্ডে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মী সভাকে সফল করার লক্ষে আমাদের সর্বপ্রস্তুতি
নেওয়া হয়েছে।
প্রশ্নঃ রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি? জানতে চাইলে কবির হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের আর্দশে আর্দশিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষে গাজীপুর
মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কামরুল আহ্সান রাসেল সরকার ও আহবায়ক সদস্য মোঃ আমান উদ্দিন সরকারের
নেতৃত্বে দল ও জনগণের কল্যাণের জন্য আমি আজীবন কাজ করে যেতে চাই।