প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ১২:৪২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৯, ২০২১, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
হাতীবান্ধায় চাচাকে হত্যার ১১ দিন পর ভাতিজা গ্রেফতার

মিজানুর রহমানঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় আব্দুল মালেক (৪৫) নামে এক কৃষককে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি নিহতের আপন ভাতিজা সোহেল রানাকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাত ৮টায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত আব্দুল মালেক দোয়ানী গ্রামের বারেক আলীর ছেলে। তিনি একজন কৃষক এবং দুই ছেলে ও এক মেয়ের বাবা ছিলেন।
জানা গেছে, গ্রেফতার সোহেল নিহত মালেকের আপন ছোট ভাই আব্দুল খালেকের ছেলে। হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের ২নং দোয়ানী গ্রামে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিজ বাড়ির সামনে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মালেক। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ ছিল, প্রতিবেশী একটি পরিবারের সঙ্গে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু ঘটনার ১১ দিন পর শুক্রবার রাতে সন্দেহভাজন হিসেবে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চাচাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন সোহেল রানা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সোহেলের শারীরিক একটি সমস্যা নিয়ে তার চাচা আব্দুল মালেক প্রায় সময়ই উপহাস করতেন। সেই ক্ষোভ থেকে চাচকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সোহেল। পরে বাজার থেকে একটি হাতুড়ি কিনে বাড়ির সামনে বসে থাকা চাচার মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়িটি পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারের পর হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন সোহেল রানা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.