
আরিফুল ইসলাম আরিফ: ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখাগেছে ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে পরচুলা তৈরির ছোট বড় অনেক প্রতিষ্ঠান।যেখানে অন্য পেশার পাশাপাশি সাবলম্বী হতে পরচুলা তৈরির কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছে গ্রামীন মধ্যবিত্ত এবং অসচ্ছল পরিবারের নারীরা।পরচুলা ন্যাড়া ও টাক মাথা, ছোট ও কম চুলের সকল মানুষের কৃত্রিম সাজে প্রয়োজন পড়ে।এমনকি নাটক ও সিনেমার অভিনয় শিল্পীরা ব্যবহার করেন এই পরচুলা।
বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে পাড়া মহল্লার পরচুলা তৈরির ছোট বড় প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে,ঘুরে দেখাগেছে মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামে দীর্ঘ দিন যাবদ গড়ে উঠেছে চুল দিয়ে ক্যাপ তৈরির একটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এইচ আর হেয়ার ফ্যাশন।এখানে বিভিন্ন বয়সের ৪২০০জন নারীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি করছে পরচুলা।মেসার্স এইচ.আর হেয়ার ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক,(চেয়ারম্যান) মির্জা হেলাল উদ্দিন জানান,আমাদের প্রতিষ্ঠানে পরচুলা তৈরির কাজে যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন বয়সের ৪২০০জন নারী।
তারা গৃহস্থালী কাজের ফাঁকে গৃহীনিরা এবং কম বয়সের মেয়েরা পড়া লেখার ফাঁকে ফাঁকে ঘরে বসে কিংবা বাড়ির আঙিনায় পরচুলা শিল্পের কাজ করে ভাল আয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছে নারীরা।তিনি জানান,দেশ ও বিদেশে তৈরি করা পরচুলার কদর রয়েছে।একেকটি তৈরি করা পরচুলার মাধ্যমে ভাল পারিশ্রমিক পান।আমরা তাদের পাওনা পারিশ্রমিক ২থেকে ৭তারিখের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।এইচ.আর হেয়ার ফ্যাশনের জেনারেল ম্যানেজার পবিত্র কুমার সরকার জানান,আমাদের সঠিক দিকনির্দেশনার ফলে এই গ্রামের অনেকে সচ্ছল হয়েছে।
বাড়ীর অন্য কাজের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ দেওয়া মাধ্যমে সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।নয়নপুর গ্রামের এক স্বাবলম্বী গৃহবধূ জানান,আমি পারিবারিক অসচ্ছল ছিলাম এখন এখানে কাজ করে মোটামুটি ভাল আয় রোজকার করছি।তাছাড়া গ্রামের অনেকে এইচ আর হেয়ার ফ্যাশনে পরচুলা তৈরির কৌশল শিখে কাজ করে যাচ্ছে।