প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১:৫৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে কারখানার নির্মাণ সামগ্রী প্রবেশে বাঁধা, নারীসহ আহত ৪

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার নোমান গ্রুপ অফ কোম্পানীর মালিকানাধীন নতুন কারখানা স্থাপনের কাজে নির্মাণ সামগ্রী প্রবেশে বাঁধার অভিযোগ উঠেছে এবং এ ঘটনায় নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে পৌর এলাকার কেওয়া র্পূবখন্ড গ্রামের কেওয়া-আনসার রোড সড়কের পাশে এস.এম এক্সাসরিস কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হাজী ছলিম উদ্দিন এন্টারপ্রাইজের পক্ষে আক্তার হোসেন বাদী হয়ে ওই দিন মঙ্গলবার বিকেলে ৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জনকে উল্লেখ করে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলো শ্রীপুর পৌর এলাকার কবীর হোসেন (৪৫),ফজলু মিয়া (৫৬),কফিল মিয়া (৫৯),মারজুকিন (২৭),মামুন (৩০) ও হারুন (৩৫)। থানা দেয়া লিখিত অভিযোগ ও আক্তার হোসেন জানান, এসএম এক্সাসরিস কারখানা শুরু লগ্নে আমাদের পরিবারে প্রায় ২০ বিঘা জমি বিক্রি করি। জমি বিক্রি করার সময় কারখানার মালিক আমাদেরকে লিখিতভাবে নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ করার অনুমতি দিলে আমরা হাজী ছলিম উদ্দিন এন্টার প্রাইজের নামে ইটা,বালু,সিমেন্ট সরবরাহ করতেছি। ইতি পূর্বে আমরা কারখানা থেকে কয়েকটি বিল উত্তোলন করি।
হঠাৎ করে পৌর কাউন্সিলর কামাল মাহমুদের নেতেৃত্বে কারখানার ভিতরে আমাদের নির্মাণ সামগ্রী প্রবেশ বন্ধ করে দিয়ে তার পক্ষে মালামাল প্রবেশ শুরু করলে আমরা বাঁধা প্রদান করি। পরে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ২০/২৫জন লোক দেশীয় অস্ত্র দা,লাঠি নিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের পক্ষের আক্তার হোসেন, মোকসেদুল ইসলাম, তাজ উদ্দিন শেখ ও মারুফা আক্তার আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন কাউন্সিলর কামাল মাহমুদ আমাদের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে বলে দাবী করেন। আমরা কারখানায় মালামাল সরবারাহ করলে সে বাঁধা দিবে না। তবে টাকা নেয়ার বিষয়টি কাউন্সিলর কামাল মাহমুদ অস্বীকার করেছেন। আক্তার হোসেন আরো জানান আমি থানায় অভিযোগ দেয়ার পর এখনো পুলিশ তদন্ত করেনি উল্টো হামলাকারীরা আমাদের নামে অভিযোগ দিয়ে মামলা করেছে। এখন আমরা মামলা হামলা আশংকার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
এ বিষয়ে কাউন্সিলর কামাল মাহমুদ জানান, আমি তাদের ওপর কোন হামলা করিনি,কারখানার কর্তৃপক্ষ আমাদের কে নির্মাণ সামগ্রী দেয়ার অনুমতি দিয়েছে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে,এক পক্ষের মামলা হয়েছে অপর পক্ষের অভিযোগ তদন্তনাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.