এম.এ রাশেদ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ করোনা ও বন্যার অজুহাতে অতিমুনাফা লোভী মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা চালের মূল্য বাড়িয়ে বাজার অস্থিতিশীল করার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে তা ঠেকাতে সক্রিয় সরকার। এরই মধ্যে কয়েক ধাপে চালের দাম কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়িয়ে সংকট সৃষ্টি করার পাঁয়তারা শুরু করেছে একটি গোষ্ঠী। অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের একাধিক সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চালের বাজার অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হলে 'কঠোর অবস্থান' নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
ধুনট উপজেলা নির্বাহি অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্ত আজ (৩ অক্টোবর ২০২০) সকাল থেকে উপজেলার ৮ টি মিল গিয়ে প্রতিটি মিল মালিকের সাথে সাক্ষাত করেন ও চালের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে মনিটরিং করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন গোসাইবাড়ি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম, ধুনট মিল মালিক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সাইদুল ইসলাম।
ধুনট উপজেলা নির্বাহি অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্ত সাংবাদিক এম.এ রাশেদকে জানান চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে সর্বক্ষণ বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত দামে মিল গেটে চাল বিক্রি হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করা হচ্ছে। কেউ যেন অতিরিক্ত ধান চাল মজুদ করে দাম বাড়াতে না পারে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হবে বলে তিনি জানান