
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি,গাজীপুর
অদ্য ০৭/০৭/২০২৬ সকাল ৯ঃ০০ ঘটিকার সময় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) গাজীপুর ক্যাম্পাসে দেশের বিশিষ্ট প্রকৌশলী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভাওয়াল রাজদিঘী সংস্কার ও টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন আন্দোলনের ০৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম। সম্প্রতি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোহাম্মদ শওকত হোসেন সরকার, গাজীপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব নুরুল করিম ভূঁইয়া এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাবা তানজিলা খানম- প্রত্যেকের আলাদাভাবে রাজদীঘি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ এবং বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসের ভিত্তিতে এবং প্রকল্পের খোঁজখবর নিতে আজকের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় ভাওয়াল রাজদীঘিকে তার ঐতিহাসিক মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে একটি আধুনিক, নান্দনিক, পরিবেশবান্ধব ও দর্শনার্থীবান্ধব ঐতিহ্যবাহী স্থানে রূপান্তরের বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। বিশেষভাবে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, ঝুলন্ত সেতু, ভাওয়াল জাদুঘর প্রতিষ্ঠা, সৌন্দর্যবর্ধন, পরিবেশ সংরক্ষণ, সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস, ডিজাইন ও কারুকার্যে ভাওয়াল ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নের নানা দিক গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মনোয়ার হোসেন রনি বলেন এটি একটি আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ নয়; এটি ভাওয়ালের ইতিহাস, ঐতিহ্য, পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সংগঠনের সদস্য সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আলম বলেন আমরা বিশ্বাস করি, বহুদিনের অবহেলা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজদিঘী খুব শিগগিরই তার হারানো সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও প্রাণ ফিরে পাবে এবং গাজীপুরবাসী প্রত্যাশার চেয়েও চমকপ্রদ কিছু দেখতে পাবে। এই দীঘী শুধু একটি জলাশয় নয়—এটি ভাওয়ালের ইতিহাস, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও মানুষের আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংগঠনের সদস্য পরিবেশবিদ সিরাজুল হক খোকা বলেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা এখন আর দূরে নয়। ফলাফল অত্যন্ত সন্নিকটে। সংগঠনের আরেকজন সদস্য প্রকৌশলী ড. জাবের আহমেদ বলেন ভাওয়াল রাজদীঘির সংস্কার ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণীত স্ক্যাচ ম্যাপ নিয়ে অত্যন্ত আন্তরিক, ফলপ্রসূ ও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজকের এই সৌজন্য সাক্ষাতে। ড. মোজাম্মেল হক জানান, বেশ আগে থেকেই ভাওয়াল রাজদিঘি নিয়ে তিনি কাজ করছেন এবং বর্তমানে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন প্রশাসনের প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদের ভিত্তিতে আধুনিক, যুগোপযোগী ও টেকসই স্ক্যাচ ম্যাপ উপহার দিতে প্রস্তুত আছেন তিনি।