সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কাওয়াক ৩০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সামিউল ইসলাম রনি যোগদানের পর গত প্রায় দেড় মাসে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও সেবার মানে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
জানা যায়, ৩০ শয্যার হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে ২০ শয্যা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর ডা. সামিউল ইসলাম রনি শয্যা সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেন। সীমিত জনবল নিয়েও তিনি চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি, আলোকসজ্জার উন্নয়ন এবং ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের (রিপ্রেজেন্টেটিভ) হাসপাতালের ভেতরে অবাধ প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এতে হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও চিকিৎসাসেবার পরিবেশ আরও উন্নত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বর্তমানে হাসপাতালের সেবায় সন্তুষ্ট। তাদের ভাষ্য, সরকারি হাসপাতাল হলেও এখন তারা অনেক আন্তরিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালের সেবার সঙ্গে তুলনীয়।
রোগীরা বলেন, চিকিৎসক ও নার্সরা আন্তরিকভাবে সেবা দিচ্ছেন। হাসপাতাল আগের চেয়ে অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। চিকিৎসা নিতে এসে ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সামিউল ইসলাম রনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত জনবল ও বিদ্যমান সম্পদ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। রোগীরা যাতে সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে চিকিৎসা পান, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, হাসপাতালের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত থাকলে কাওয়াকসহ আশপাশের এলাকার মানুষ আরও উন্নত সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।