
ইলিয়াছ শাহেদ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:
দেশের বৃহত্তম যৌনপল্লী হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত মানুষ এখানে আসা-যাওয়া করেন। তবে এই জনসমাগমকে কেন্দ্র করে প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন, অভিযোগ ও রহস্যের জাল।
সম্প্রতি সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যৌনপল্লীর প্রবেশমুখে রিকশা, দালাল ও বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যক্তি আগতদের বিভ্রান্ত করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ভুল তথ্য প্রদান এবং নানা ধরনের অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে থাকে।
প্রবেশমুখে মানুষের চলাচলের পাশাপাশি কিছু ব্যক্তির অস্বাভাবিক তৎপরতা স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি করেছে। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘটনা চললেও ভয়ে বা সামাজিক কারণে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চান না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, বহিরাগতরা এলাকা সম্পর্কে অপরিচিত হওয়ায় সহজেই বিভিন্ন কৌশলের শিকার হন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া কিংবা ভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, দৌলতদিয়া ঘাট ও যৌনপল্লী দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি জনবহুল এলাকা হওয়ায় এখানে সিসিটিভি নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান এবং অভিযোগ গ্রহণের কার্যকর ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, কোনো ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন
দৌলতদিয়ার প্রবেশপথে প্রতিদিনের এই তৎপরতা কি শুধুই স্বাভাবিক যাতায়াতের অংশ, নাকি এর আড়ালে সক্রিয় রয়েছে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন
শিবগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সীমান্তে হত্যা কান্ড ও পশইনের প্রতিবাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চ্যারিটি ব্লাড ইউনিটের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
দুই কোটি টাকার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ