প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২০, ২০২৬, ১:১০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১, ২০২৬, ৩:১৯ পি.এম
পদ্মার চরে ৫ হাজার মানুষের জন্য নেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জরুরি সেবায় ভরসা শুধু গ্রাম্য ডাক্তার

আবুল হাশেম
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চকরাজাপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে ৫ হাজার মানুষের বসবাস হলেও সেখানে নেই কোনো সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত চরের মানুষ।
পদ্মার বুকজুড়ে বিস্তীর্ণ আতারপাড়া ১ নম্বর, চৌমাদিয়া ২ নম্বর ও দিয়ারকাদিরপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই চরাঞ্চল। বছরের পর বছর ধরে এখানকার মানুষ বসবাস করলেও স্বাস্থ্যসেবার কোনো ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। অসুস্থ হলে একমাত্র ভরসা গ্রাম্য চিকিৎসক।
জটিল রোগ বা গর্ভবতী নারীদের নিয়ে ছুটতে হয় ৩০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা সদর অথবা ৮০ কিলোমিটার দূরের রাজশাহী শহরে। এই পথ পাড়ি দিতে হয় পদ্মা নদী ও দুর্গম চর। বর্ষায় নৌকায় চলাচল করা গেলেও শুকনো মৌসুমে বিশাল চর পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়ে নৌকায় উঠতে হয়। যাতায়াতে দফায় দফায় টোলও দিতে হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও এই তিন ওয়ার্ডে গড়ে ওঠেনি কোনো কমিউনিটি ক্লিনিক বা স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র। ফলে প্রসূতি মা, শিশু ও বয়স্ক রোগীদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। মাঝরাতে কেউ অসুস্থ হলে কোনো উপায় থাকে না। বর্ষাকালে নদীতে স্রোত বাড়লে রোগী পারাপার জীবন-মৃত্যুর লড়াই হয়ে দাঁড়ায়।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, "চকরাজাপুর ইউনিয়নে দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়েছিল। একটি পদ্মাগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরেকটির কাজ চলমান রয়েছে। তবে চৌমাদিয়া, আতারপাড়া ও দিয়ারকাদিরপুরে কোনো কমিউনিটি ক্লিনিক নেই। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা আছে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.