
রবিউল হাসান লায়ন ঃ জামালপুর
প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে শ্বাসরোধে হত্যা এবং পরে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটন করেছে জামালপুর পিবিআই। এ ঘটনায় মূল হত্যাকারী শুভ ও তার সহযোগী সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে পিবিআই জামালপুর জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।
তিনি জানান, গত ১৮ মে জামালপুর-শেরপুর সীমান্তবর্তী বাগলগড় এলাকার একটি ঘাসক্ষেত থেকে যুবক আল আমিনের মাথাবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে নেমে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে বাগলগড় গুচ্ছগ্রাম এলাকা থেকে শুভকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সহযোগী সম্রাটকেও আটক করা হয়।
গ্রেফতার শুভ জামালপুর সদর উপজেলার পাথালিয়া সন্ধিক্লাব এলাকার উজ্জল মিয়ার ছেলে। সম্রাট একই এলাকার দুলাল মিয়ার পুত্র।
পিবিআই জানায়, নিহত আল আমিনের সঙ্গে শুভর তালাকপ্রাপ্ত বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এছাড়া আল আমিন ও শুভ মামাতো-ফুপাতো ভাই। পারিবারিক বিরোধ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের একপর্যায়ে শুভ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরে সম্রাটের সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে আল আমিনকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।
পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, “ঘটনার পরপরই পিবিআইয়ের একাধিক টিম মাঠে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।”
বুধবার বিকেলে পিবিআই জামালপুর জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।
তিনি জানান, গত ১৮ মে জামালপুর-শেরপুর সীমান্তবর্তী বাগলগড় এলাকার একটি ঘাসক্ষেত থেকে যুবক আল আমিনের মাথাবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে নেমে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে বাগলগড় গুচ্ছগ্রাম এলাকা থেকে শুভকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সহযোগী সম্রাটকেও আটক করা হয়।
গ্রেফতার শুভ জামালপুর সদর উপজেলার পাথালিয়া সন্ধিক্লাব এলাকার উজ্জল মিয়ার ছেলে। সম্রাট একই এলাকার দুলাল মিয়ার পুত্র।
পিবিআই জানায়, নিহত আল আমিনের সঙ্গে শুভর তালাকপ্রাপ্ত বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এছাড়া আল আমিন ও শুভ মামাতো-ফুপাতো ভাই। পারিবারিক বিরোধ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের একপর্যায়ে শুভ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরে সম্রাটের সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে আল আমিনকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।
পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, “ঘটনার পরপরই পিবিআইয়ের একাধিক টিম মাঠে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।”

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২