প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২২, ২০২৬, ৪:৩৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৩, ২০২৬, ৫:২৩ পি.এম
বগুড়ায় ডাকাতির ১৮ দিন পর লুটের মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া কাঁসার থালা, বাটি ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল গভীর রাতে উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা সুভজিৎের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতরা জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে স্বর্ণের চেইন, আংটি, কাঁসার তৈজসপত্র, দামী কাপড়-চোপড় ও নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুভজিৎ শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। টানা অভিযান চালিয়ে ডাকাতির ঘটনার ১৮ দিনের মাথায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়া ও নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— দুপচাঁচিয়া উপজেলার বানিয়াদিঘী চৌমুহনী গ্রামের বাবু মিয়ার ছেলে মোঃ আকাশ (১৯), একই এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে রিমন হোসেন ওরফে তুহিন (১৭) এবং নন্দীগ্রাম উপজেলার বীরপল্লী উত্তরপাড়া গ্রামের শামছুল হকের ছেলে মজনু মিয়া (৪৬)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ডাকাতির সময় লুট হওয়া কাঁসার থালা, কাঁসার বাটি ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ডাকাত দলের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে লুট হওয়া কিছু মালামালও। গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এলেও স্থানীয়দের মাঝে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.