প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১:৫৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ৫, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পার্টনারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ ও দুর্নাম রটানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এম আর ওয়াসিম ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: ভৈরবে ফলের দোকানের পার্টনার আনোয়ার পারভেজ কে কর্মচারী সাজিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে দুর্ণাম রটানোর প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগী মো. আনোয়ার পারভেজ ও ফল ব্যবসায়ীরা। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা ১২টায় ভৈরব বাজারে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মো. ফরিদ মিয়া, নাজমুল হাসান ও তোফাজ্জল হোসেন সোহেল প্রমুখ।
এর আগে ২ মার্চ ফল ব্যবসায়ী আবুল কালাম তার প্রতিষ্ঠানে আনোয়ার পারভেজকে ম্যানেজার দাবি করে ৪ কোটি ৩০ লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৯৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার পারভেজ বলেন, আমি মেসার্স ভৈরব এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মো. আবুল কালাম এর সাথে দীর্ঘ দিন যাবৎ পার্টনারশীপে ব্যবসা করে আসছি। ২ মার্চ আবুল কালাম তার বড় ছেলেকে নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে আমার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনে।
যা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, অস্বচ্ছ, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমার অসুস্থতার সুযোগে আমার কিছু দিনের অনুপস্থিতিতে আমার পার্টনারশীপের পাওনা ২ কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তার বড় ছেলে এবং তার অনুগত কর্মচারী দিয়ে মাষ্টার প্ল্যান করে একটা মিথ্যা হিসাব দার করায়। প্রথমে অভিযোগ নিয়ে আবুল কালাম আর্মি ক্যাম্পে গেলে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে হিসাবটি অসম্পূর্ণ এবং বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে আমাদেরকে বিদায় করে দেয়। বিগত ১৫ বছরে প্রায় ৫ হাজার ৫শ সীটের হিসাব দেখায় যেখানে সব হিসাবই অংকে লেখা। ফলে যে কোন হিসাব ইচ্ছাকৃত ভাবে টেম্পারিং করা খুবই সহজ হয়েছে। আমাকে তাদের বানানো যে হিসাবের কপি দেওয়া হয়েছে সেখানে ২০১২ সালের, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসের ও ২০২৪ সালের জুলাই মাসের কোন কোন সীট নাই। এছাড়াও আবুল কালামের ব্যক্তিগত খরচের হিসাব এখানে দেখানো হয়নি। এমনকি দীর্ঘদিনের লেনদেনের ব্যাংক স্টেটম্যান্ট চাইতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমাকে স্টেটম্যান্ট দিতে আবুল কালাম নিষেধ করেছেন বলে জানায়।
নিজেকে পার্টনার দাবি করে আনোয়ার পারভেজ বলেন, ২০০২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে আমি ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার আগেই পার্টনারশিপের ১ লাখ টাকা দেই। তখন আমরা মোট ৭জন পার্টনার ছিলাম। আবুল কালাম ৩০%, আমার ১০% ও অন্য ৫ জনের ১২% টাকা ছিল। কয়েক বছর পর ৫ জন বিদ্রোহ করে চলে যায়। আমার পাওনা প্রায় ৭ লাখ টাকা পুঁজি হিসাবে রয়ে যায়।
বিগত বছর গুলোতে উপজেলা পরিষদে যত মিটিং হয়েছে সব গুলোতে ফল ব্যবসায়ি মালিকদের পক্ষ থেকে আমিই প্রতিনিধিত্ব করেছি। উপজেলা পরিষদ রেজিষ্টারে তার প্রমাণ আছে। আমি ফল ব্যবসা থেকে নিজের খরপোষ ব্যতিত আর কোন টাকা নেইনি। বর্তমানে আমি ব্যবসার ৩০% অংশীদার হিসাবে আমার পাওনার ২ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা না দিতে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মানহানি করা হয়েছে আমি এর বিচার চাই।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.