প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১২:৪৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে প্রতারণা করে জমি রেজিস্ট্রার করার অভিযোগ শিবির নেতর বিরুদ্ধে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
দলিল লেখক ও স্থানীয় এক উপজেলা সাবেক ছাএ শিবির নেতা সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোঃ আবু তালেব (মাস্টার) এর যোগসাজসে প্রতারণ করে দুই শতক জমির পরিবর্তে ২০ শতক জমি রেজিস্ট্রার করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অহেদ আলী ও মন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবার দলিল ফেরত চেয়ে বিচারের দাবীতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে ভুক্তভোগী পরিবার। বিচার না পেয়ে অবশেষে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।এমনটাই ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের বড়াইকান্দি গ্রাম এলাকায়।
অভিযোগ, ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , উপজেলার বাতার গ্রামের নবীর হোসেন এর কাছ থেকে তারই চাচাতো ভাই অহেদ আলী ও মন্টু মিয়া তফশিল বর্ণিত খতিয়ান ১৫৭, দাগ নং ৫১৩৬, ৫১৩৮, ৫৫৫৪, জমির পরিমাণ ২০ শতক। উক্ত জমি থেকে দুই শতক জমি ১ লক্ষ টাকা মুল্য নির্ধারণ করেন এবং ৫০ হাজার টাকা নগদ বিক্রেতাকে দেন। ওই সময়ে উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে দলিল লেখক আবুল হাশেম, স্থানীয় উপজেলা সাবেক ছাএ শিবির নেতা সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোঃ আবু তালেব (মাস্টার) ও মিজানুর রহমান মিলে পরিকল্পিত ভাবে বিক্রেতাকে না জানিয়ে গোপনে দুই শতকের পরির্তে ২০ শতক জমি রেজিস্ট্রার করেন,
দুই শতক জমির মুল্য অনুযায়ী নবীর হোসেন বাকি ৫০ হাজার টাক অহেদ আলী ও মন্টু মিয়ার কাছে চাইতে গেলে তারা নানা টালবাহনা করতে থাকে। এরই মধ্যে প্রতারণামুলক ২০ শতক জমি রেজিস্ট্রি করার বিষয়টি বিক্রেতা নবীর হোসেন ও তার শরিকরা জানতে পারেন। এনিয়ে একাধীকবার গ্রাম্য সালিশী ডাকা হয়। এতে কোন সমাধান না হওয়ায় নবীর হোসেন বাদী হয়ে প্রতারক ফজর উদ্দিন, মিজানুর রহমান ও উপজেলা সাবেক ছাএ শিবির নেতা সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোঃ আবু তালেব (মাস্টার)কে
অভিযুক্ত করে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও ওই জমির খারিজ বিরুদ্ধে ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) কে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নবির হোসেনের ছেলে মো. রঞ্জু মিয়া।গ্রাম্যমাতাব্বর ও উপজেলা সাবেক ছাএ শিবির নেতা সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোঃ আবু তালেব মাস্টারের কাছে জমির বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমি শুধু টাকা লেনদেনের সময় ছিলাম।
সহকারি কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান বলেন, এবিষয়ে আবেদন পেয়েছি, যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কাওছার আলী জানান, অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত করার জন্য দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.