
জাহিদুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচনের দিন ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। কিন্তু গণনার সময় আমাদের এজেন্টদের নানা ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণায় অসঙ্গতি দেখা গেছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডে জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভিন্ন কেন্দ্রে থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করে জামায়াত প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের দিয়েছে একটি দলের নেতাকর্মীরা। তিনি দাবি করেন, একাধিক কেন্দ্রে তাঁর মনোনীত পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এজেন্টরা ভোটের শুরু থেকেই কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এতে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অনেক কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বিজয়ী প্রার্থীর এজেন্টদের এক টেবিলে খাওয়া দাওয়া করার অভিযোগ তুলে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা এক টেবিলে বসে খাওয়া-দাওয়া করেছে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আচরণ হতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ। কিন্তু আমরা দেখেছি, কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি একসঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করেছেন, যা ভোটারদের মাঝে সন্দেহ তৈরি করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী শহিদুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুল লতিফ, কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতের আমির আবু ইউসুব, সিরাজগঞ্জ এনসিপি’র নেতা হযরত আলী ওসমান সহ বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মরিা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ