হোম » সারাদেশ » জামায়াত নেতা হত্যা মামলা: প্রধান আসামি শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী-রুবেল

জামায়াত নেতা হত্যা মামলা: প্রধান আসামি শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী-রুবেল

মোঃ শরিফ উদ্দিন বাবু, শেরপুর প্রতিনিধি:  শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারে প্রধান আসামি হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেলকে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শুধু রুবেলই নন—জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর নামও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ঝিনাইগাতী থানায় দায়ের করা এই মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩৪ জনে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নিহত মাওলানা রেজাউল করিমের স্ত্রী মার্জিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান জানান, গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের সময় মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জানুয়ারি বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে অবস্থার অবনতি ঘটে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!