
মোঃ লিখন ইসলাম (নীলফামারী প্রতিনিধি)
একজন অদম্য মেধাবী হয়েও দুশ্চিন্তা ও হতাশাগ্রস্ত। কবে হবে এই মেধাবীদের মূল্যায়ন। নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার তুহিন বাজারের কৃতী সন্তান ডা মোঃ পাভেল ইসলাম
৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও গত ২২ জানুয়ারি, ২০২৬-তারিখে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়াই গেজেট থেকে বাদ পড়ায় সকল স্তরের মানুষ ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত সকল শ্রেনী পেশার মানুষ । গেজেট বঞ্চিত হওয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত তার গেজেট প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী ।
ডা. পাভেল শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই অত্যন্ত মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও পরিশ্রমী ছাত্র ছিলেন। তিনি গ্রামের একটি প্রত্যন্ত স্কুল থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান। সপ্তম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় উপজেলায় ১ম স্থান ও অষ্টম শ্রেণিতে JSC পরীক্ষায় গোল্ডেন প্লাসসহ উপজেলায় ১ম স্থান অধিকার করে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান। পরবর্তীতে তিনি ডিমলা রানী বৃন্দা রানী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে SSC এবং রংপুর সরকারি কলেজ থেকে HSC পরীক্ষায় গোল্ডেন প্লাসসহ দিনাজপুর বোর্ডের মেধাতালিকায় স্থান করে বৃত্তি পান।
এরপর তিনি প্রথমে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (RUET) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগে অধ্যয়ন শুরু করেন। পরবর্তীতে অসহায় দুস্থ মানুষের চিকিৎসার কথা ভেবে মানবসেবার মহান ব্রত নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে তিনি কৃতিত্বের সাথে MBBS কোর্স সম্পন্ন করেন।
এলাকাবাসী বলেন তিনি এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছেন তিনি আমাদের এলাকার গর্ব কিন্তু গেজেট বঞ্চিত হওয়ায় আমরা ব্যথিত ও মর্মাহত। একজন অদম্য মেধাবী ও মানবিক ডাক্তারকে পুনর্বিবেচনা করে গেজেটভূক্ত করা হউক।
এলাকাবাসী গন আরো বলেন,তিনি একজন মানবিক, বিনয়ী ও পরোপকারী চিকিৎসক। অত্র এলাকার অসংখ্য মানুষকে তিনি নিয়মিত চিকিৎসা পরামর্শ ও সেবা দিয়ে আসছেন। তিনি এলাকার গর্ব ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক। তার আচার-ব্যবহার খুবই ভালো।
খোজ নিয়ে দেখা যায় কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নাই । তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা, রাষ্ট্রবিরোধী কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ নেই।
এমতাবস্থায় ডিমলা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের জোর দাবি বিষয়টি দ্রুত মানবিক ও ন্যায়সংগত দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচনা করে তাকে ৪৮তম বিসিএসের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হউক।