প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১২:০৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
উল্লাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সৎকারে বাধার অভিযোগ সনাতনী জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে , মরদেহ নিয়ে উপজেলায় বিক্ষোভ

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সৎকার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সনাতনী জামায়াত হিন্দু উল্লাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি বাবলু ভৌমিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছে সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন। মরদেহটি উল্লাপাড়া ঝিকিড়া গ্রামের গনেষ বনিক এর স্ত্রীর মিনা বনিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করতে গেলে ঘোষগাঁতী গ্রামের বাবলু ভৌমিক সৎকারে বাধা দেয়। এতে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে ক্ষুব্ধ সনাতনী সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয় এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান ও নিরাপদ সৎকারের দাবি জানায়।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযুক্ত উপজেলা সনাতনী হিন্দু শাখার সভাপতি বালবু ভোমিক এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, গত কাল রাতে ঝিকিড়া মহল্লার এক জন মারা যায়। রাতে তারা মহদেহটি উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করা হবে বলে মাইকিং করে। এবং আমাকে ফোন দিয়ে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি চায় কিন্তু আমার কাছে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি নাই মর্মে জানিয়ে দেই।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরফি বলেন, আজ সকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা মহিল মারা যায়। পরে তার নিহতের পরিবার মহাশ্মশানের চাবি চাইলে বাবলু ভৌমিক চাবি না দিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলে চাবি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য ৫ আগষ্টের আগে উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে নাম করন ছিলো। বর্তমানে এখন ঘোঁষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান নাম করণ করা হয়েছে। আর এ নিয়েই হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.