প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ৩:২৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁয় কেমিক্যাল ও রুং মেশানো কালোজিরা ও চিনা বাদামে বাজার সয়লাব

জাহিদুল হক মিন্টু, নওগাঁ প্রতিনিধি:
কালোজিরা অনেক স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর যা সর্দি কাশি জ্বর মাথা ব্যাথা এবং হজম সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ডাইবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি কমায়।ইসলামে কালোজিরেকে মহোঔষধ বলা হয় এটি রাসূল (সঃ) ও পছন্দ করতেন ও ব্যবহার করতেন বিভিন্ন বই পুস্তকে তা দেখা যায়। পরিতাপের বিষয় যেটা আমাদের নওগাঁ বাজারে যে কালোজিরা ও ছিলা বাদাম বিক্রয় হচ্ছে তাতে রং মেশিয়ে আকর্ষণীয় করে রাখা হয়েছে যা কে্তা দেখলেই আকৃষ্ট হবে। সাধারণ ভোক্তাদের চেনার কোন উপায় নেই এতে অনেকই দৈনন্দিন প্রতারিত হচ্ছি বা ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছি।
পৌরসভার চকদেব ডাঃপাডার সোহেল রানা (৪৮)নামে এক জন ভোক্তা বলেন, আমি প্রত্যহ সকালবেলা খালি পেটে কালোজিরা, চিনা বাদাম, কাঁচা ছোলা, কিসমিচ রাতে ভিজিয়ে রেখে দীর্ঘদিন যাবত খেয়ে আসতেছি এতে করে আমার শরীর-স্বাস্থ্য খোদার রহমতে ভালো আছে। কিন্তুু ইদানিং যখন এই পুট গুলো ভিজিয়ে রাখি সকালবেলা দেখি গ্লাসের উপরে রঙের একটা রঙিন আস্তর পড়ে রয়েছে এতে আমার সন্দেহ হয় এবং খোজ খবর নিয়ে দেখি ঘটনা সত্য।
নাম জানাতে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাজারের এক জন মসলা ব্যবসায়ী বলেন বাদামে রং মেশানো বলতে পারবো না তবে কালোজিরায় রং মেশায় এটা আমার জানা।
সিভিল সার্জন ডা: আমিনুল হক বলেন, কালো জিরায় কেমিকাল জাতীয় রং মেশানো পণ্য দীর্ঘদিন খেলে মানব শরীরে লিভার, কিডনির ব্যপক ক্ষতি হবে এমন কি ক্যান্সার ও হতে পারে। এটা প্রতিকার করা উচিত এর জন্য ভোক্তা অধিকার ও, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ রয়েছে তাদের সাথে সমন্বয় করে আমাদের স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে অনেক সময় বাজার তাদারকি করে ভ্রাম্যমান দেওয়া হয়।
ভোক্তা অধিকার নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রুবেল হোসেন জানান এধরনের অভিযোগ প্রায়ই আমাদের কাছে আাসে তবে সঠিক তথ্য দিয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযান পরিচালনা আমাদের জন্য সহজ হয় তবে আগামীকাল বাজারে ঢুকবো বিষয়টির সত্যতা মিললে আইনি প্রদক্ষেপ নিব। ভোক্তার সাথে প্রতারণা মেনে নেওয়া যায় না।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.