প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ১:০২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ৮, ২০২৫, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
চন্দনাইশে কে এ শিবলু, নানা প্রতারণার অভিযোগে সাজা পেয়েও পূনরায় হয়রানীর অভিযোগ

চন্দনাইশ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চন্দনাইশে কে এই শিবলু। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদের প্যাড, সীল, জাল এনআইডিসহ বিভিন্ন সীল ব্যবহার করে প্রতারণা দায়ে গ্রেফতার ও সাজাপ্রাপ্ত হওয়ারপরও দোকান সীলগালা করে দেওয়ার পরও ভূমি অফিসের এক’শ গজের মধ্যে ভূমি সেবা কেন্দ্র অনুমোদন নিয়ে সেবাপ্রার্থীদের নানা হয়রানীর ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে নাজমুল হোসেন শিবলুর বিরুদ্ধে সেবাপ্রার্থী মিজানুর রহমান সম্প্রতি জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে হয়রানীমূলক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন। তথ্য অনুসন্ধ্যান ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চন্দনাইশ ভূমি অফিসের এক’শ গজের মধ্যে প্রশাসনের নাকের ডকায় চন্দনাইশ পৌরসভার মধ্যম হারালার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. নাজমুল হোসাইন প্রকাশ শিবলু ২০১১ সালে সে একটি কম্পিউটার দোকান পরিচালনা করতো। তার প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদের প্যাড, সীল, জাল এনআইডি, বিভিন্ন সীল জব্দ করে মোবাইল কোর্ট। ওইসময় তার ৬ মাসের জেল হয় এবং দোকানটি সীলগালা করে দেয়া হয়েছিলো।
পরবর্তীতে ২০১৯ সালে ভূমি অফিসে সাবেক খন্ডকালিন ই-নামজারি করার সময় তাকে ডাটা এন্ট্রির জন্য বেসরকারিভাবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসায় তৎকালীন সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিবেদিতা চাকমা তাকে অফিস থেকে বের করে। পরবর্তীর্তে আবারো রহস্যজনক ভূমি অফিসে খন্ডকালীন চাকুরীটি পেয়ে যায় শিবলু। তখন অফিসের কর্মচারীদের মতো নামজারির কন্ট্রাক্ট নিতে শুরু করে সে। তখন উপজেলা সদরে একটি কম্পিউটারের দোকান ছিল।
সেখানে বসেও ভূমি অফিসের কাজ করত। তার দোকান থেকে পাঠানো ফাইলগুলোতে এসএম সংকেত দিয়ে পাঠানো হলে ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যে নামজারি হয়ে যায় কন্ট্রাকের মাধ্যমে এমনও অভিযোগ ছিল। পরে ভূমি অফিসের খন্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর শিবলু’র বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তাকে তৎকালীন খন্ডকালীন চাকুরী থেকে অব্যহতি দেন তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, ৫/৬ মাস আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে জন বান্ধব ভূমিসেবা লাইসেন্স গ্রহণ করে ভূমি অফিসের ১’শ গজের মধ্যে ভূমি সেবা কেন্দ্র চালু করে উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাথে কন্টাক করে নামজারীসহ নানা দূর্নীতি লিপ্ত রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, সম্প্রতি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে শিবলুর পরমর্শের জন্য কাছে গেলে শিবলু ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওয়ারিশ সনদও নামজারী কন্টাক নেন তার বাবার কাজ থেকে। তখন শিবলু ফেক ওয়ারিশ সনদ নিয়ে নামজারীর ফাইল রেডি করে দিলে তারা ভূমি অফিসে জমা দিলে সে ওয়ারিশ সনদে চন্দনাইশ পৌরসভা প্রশাসকের স্বারক নাম্বার না থাকায় তা ভূয়া ওয়ারিশ সনদ প্রমাণিত হলে সে নামজারী খতিয়ান বাতিল করা হয়। ফলে শিবলু এ ধরণের ভূয়া ওয়ারিশ সনদসহ নানা কাগজপত্র জালিয়াতি করে মানুষের সাথে প্রতারণা করছেন। এব্যাপারে নাজমুল হোসেন শিবলু তার বিরুদ্ধে আণিত অভিযোগ সম্পূন্ন মিথ্যা ভীত্তিহীন দাবী করে বলেন, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে মিজানুর রহমানের পরিবাররের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সুতরাং আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার প্রফেশনাল ব্যাকগ্রাইন্ড টানছে। এনিয়ে চন্দনাইশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একাধিকবার ফোন করার পরও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.