
এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বলেন, সিরাজগঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সানোয়ার হোসেন ছানুর নেতৃত্বে গত ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় মটরসাইকেলযোগে প্রায় ২০/২৫ জনের একটি দল সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাক ও কাভ্যার্ড শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসে ঢুকে হিসাব রক্ষক মোকলেছুর রহমান, প্রধান সহকারি কামাল হোসেন, অফিস সহকারী জেলহক ভুট্টকে বেধরক মারপিট করে। এছাড়াও তারা অফিসের চেয়ার ভাংচুর করে তছনছ করে ফেলা দিয়ে যায়।
এ বিষয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের নিকট বিচার চাইলেও আমরা এখনো কোনো বিচার পাই নাই। অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের সুষ্ঠু বিচার দাবি করে শ্রমিকরা বলেন এই বিচার না হওয়া পর্যন্ত সড়ক অবরোধ চলবে। পরে বেলা ১২ টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে করতে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেন। পরে শ্রমিকরা তাদের অবরোধ তুলে নেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাক ও কাভ্যার্ড শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আকমল হোসেন বলেন, অতর্কিতভাবে বিএনপি নেতা সানোয়ার হোসেন ছানুর নেতৃত্বে ট্রাক ও কাভ্যার্ড শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসে হামলা-ভাংচুর করার ঘটনায় বিচার দিতে কালখেপন হওয়ায় আজকের এই অবরোধের ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি আরো বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫টার মধ্যে এই ঘটনার সুষ্ঠু মিমাংশা দেওয়া আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।
সিরাজগঞ্জ জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুলতান তালুকদার বলেন, আজ বিকাল ৫টার মধ্যে সুষ্ঠু বিচার না পেলে আগামীকাল থেকে সিরাজগঞ্জ শহর অচল করে দেওয়া হবে। কোন প্রকার যানচলা চল করতে দেওয়া হবে না।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ট্রাক ও ট্যাংলরী মালিক গ্রুপের সভাপতি মুন্সি জাহিদ আলম বলেন, এই হামলা ও ভাংচুরের ঘটনার সঠিক বিচার না হলে মালিক-শ্রমিক যৌথ এই কর্মসূচীতে অংশ নিবে। তবে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সাধারণ শ্রমিকদের সঠিক বিচার দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ প্রত্যহার করে নেন।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. মোফাখখারুল ইসলাম জানান, অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেছে। আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি মীমাংসার জন্য। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।