
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে যে, নিহত মঞ্জু মিয়া একজন মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। মঞ্জু মিয়া গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর মঞ্জু মিয়া বাড়িতে ফিরে না আসায় তার স্ত্রী মোবাইলে মঞ্জুর সাথে যোগাযোগ করলে মঞ্জু জানান, সে সুলতান এর বাড়িতে আছে। পরের দিন ৯ অক্টোবর সকাল ৮ টার দিকে মঞ্জুর স্ত্রী কল্পনা খাতুন জানতে পারে, ক্ষুদ্র শিয়ালকোল গ্রামের শহিদুল ইসলামের বাড়ির পাশে তার স্বামী মঞ্জু মিয়ার মরদেহ পরে আছে। পরে শহীদ এম মুনছুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে কল্পনা খাতুন তার স্বামীর মরদেহটি সনাক্ত করেন। সদর থানা পুলিশ মঞ্জু মিয়ার মরদেহটি সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মর্গে প্রেরণ করে।
পরবর্তীতে মঞ্জুর স্ত্রী কল্পনা খাতুন বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় অঙ্গাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে পিবিআই মামলাটি অধিগ্রহণ করে। পরে তথ্য প্রযুক্তির বিশ্লেষণে পিবিআই টিম উল্লেখিত হত্যা মামলার কারণ, আসামীদের সনাক্ত করেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বুধবার পিবিআই সিরাজগঞ্জ টিম আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করে গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কালিয়াকৈর থানার শফিপুর পূর্বপাড়া দিনারগেট এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করে।
গ্রফতারকৃত আসামীরা জিজ্ঞাসাবাদে উল্লেখিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। মাদকের ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। এই মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
এরআগে, গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ভোরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ক্ষুদ্র শিয়ালকোল গ্রামে মঞ্জু মিয়াকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান