হোম » সারাদেশ » সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন না হলে গ্রহনযোগ্যতা পাবে না 

সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন না হলে গ্রহনযোগ্যতা পাবে না 

পলাশ মিয়াঃ
বিগত কয়েকটি নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন না থাকাই আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টি কৌশলে প্রতিনিধিত্ব করেছে।আর ঐদিকে বাকি রাজনৈতিক নামে মাত্র নির্বাচনে জোরপূর্বক অংশগ্রহন করেছিলেন।ঐ সময়ের আগে থেকে  যদি  সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন চালু হত,তাহলে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো অর্ধেকের আসনে বিজয়ী হওয়ার সম্ভবনা ছিল।ঐ দিকেসংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন  না থাকাই আওয়ামীলীগ ও জাতীয়পার্টি ক্ষমতায় বসে বিরোধীদলের রাজনৈতিক নের্তাকর্মীদের উপর নির্যাতন চালায়।
আওয়ামীলীগের আমলের প্রতিটা নির্বাচন ছিল লোভ দেখানো, যে নির্বাচনের কোন গ্রহনযোগ্য ছিল না। দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে সকল স্তরকে ধংশ করে দিয়ে গেছে।
সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা, যেখানে কোনো একটি রাজনৈতিক দল মোট যত শতাংশ ভোট পায়, সংসদের ঠিক তত শতাংশ আসন পায়।
বর্তমানে বিএনপি,জামায়াত,আওয়ামীলীগ,ইসলামি আন্দোলন ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঐদিকে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ ও জাতীয় পার্টিও নির্বাচনে না আসার অপারগতা প্রকাশ করেছে।
আর ঐদিকে আওয়ামীলীগের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজনীতিতে আসতে পারবে না। তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে বলা চলে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামই রাজনীতি বড়দল।
ঐদিকে গনতন্ত্রমঞ্চ ও যুগপৎ আন্দোলনের নেতারা আসন বন্টণের পথে। সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনে যদি বাংলাদেশের প্রতিটা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করে, তাহলে প্রতিটি ছোট রাজনৈতিক দল ১-৩টি করে আসন পাবে।আর ঐদিকে বিএনপি বেশি আসন পেয়ে সংসদ গঠন করবে ও জামায়াত ও ইসলামি দলগুলো সংসদে বিরোধী দল হিসেবে থাকবে।

ঐদিকে গনতন্ত্রমঞ্চ ও যুগপৎ আন্দোলনের নেতারা যদি আবার মনে করে, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনে একক ভাবে নির্বাচনে যাবে। তাহলেও ১-৫টি আসন পাবে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!