বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। মাঠপর্যায়ে সংগঠনকে সক্রিয় রাখতে গ্রামেগঞ্জে ঘুরে কর্মীদের উৎসাহ দিয়েছেন, সভা-সমাবেশের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত করেছেন। তার নেতৃত্ব ও সহানুভূতির কারণেই এই অঞ্চলে এখনও বিএনপির কার্যক্রম টিকে আছে বলেও অনেকে মনে করেন।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আরও বলেন, যদিও আসনটিতে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন, তবে মাসুদ রানার ভূমিকা, ত্যাগ ও অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। তার প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দারা ‘গণডোনেশন ফান্ড (GDF)’ নামে একটি তহবিল গঠন করেছেন। এই ফান্ডের মাধ্যমে তারা তার নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমে আর্থিক, শারীরিক ও মানসিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। জনসাধারণের মাঝে একটি শ্লোগানও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে — নিজের টাকায় এমপি বানাবো, বিনা পয়সায় সেবা নেবো।
স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি অন্য কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন।
ছাত্রজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে মাসুদ রানা রাজনীতির মঞ্চে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি পোরশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ নওগাঁ জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী।
সাপাহার উপজেলা বিএনপির নেতা আতাউর রহমানএবং নিয়ামতপুর উপজেলা মোঃ ইউসুফ আলী (রুবেল) বলেন, রাজনীতির বিভিন্ন মামলায় আটক বিএনপির নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা, জামিন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর রাখাসহ সর্বদা পাশে থেকেছেন মাসুদ রানা। তাই নওগাঁ-১ আসন পুনরুদ্ধারে তার বিকল্প নেই।
তৃণমূলের দাবি, শুধু একজন প্রার্থী নয়, লায়ন মাসুদ রানা এখন নওগাঁ-১ আসনে বিএনপির প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তার প্রতি আস্থা রেখেই তৃণমূল আশাবাদী বিএনপি আবারও এই আসন ফিরে পাবে।