প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ২:৩৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৫, ৪:২১ অপরাহ্ণ
রৌমারীর খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের তদন্ত শুরু

ইউনুছ আলী: কুড়িগ্রামের রৌমারী খাদ্যগুদাম থেকে চালকল মালিকের অর্থ আত্মসাতের কোর্টে মামলার তদন্ত করেছে ৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুন্সী মোহাম্মদ শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে জেলা টিআই জবেদ আলী, চিলমারী টিসিএফ এনামূল হক, জেলা সদর খাদ্যগুদাম টিসিএফ হালিমুর রহমান পলাশ, নাগেশ্বরী উপজেলা টিসিএফ কায়সার আহমেদ ও জেলা সদর ওসিএলএসডি। ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চালকল মালিকদেরও খাদ্যগুদামে বরাদ্দের চাল সংগ্রহের ১০.০২০ মেট্রিক টনের চালের সরকারি মূল্য ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা নাসির উদ্দিন লালের ব্যাংক একাউন্টে না দিয়ে, বিলটি প্রতারণা করে শামিম এন্টার প্রাইজ নামের একটি মিল মালিকের নামে ব্যাংক একাউন্টে জমা দিয়ে চেকের মাধ্যমে সম্পন্ন টাকা উত্তোলন পুবর্ক আত্মসাত করে।
অপরদিকে ১২’শ ২৯ টি নতুন খালি বস্তা গুদামে না এনে পরিবহন ঠিকাদারের নিকট প্রায় ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে নিম্নমানের বস্তা ক্রয় করে মিলারদের নিকট বিতরণ করেন।
এদিকে গত আমন মৌসুমে চাল সংগ্রহের নাসির উদ্দিন লাল মিয়ার নামে বরাদ্দকৃত ২ মে. টন ৭’শ কেজি চাল ও প্রায় ৩ হাজার খালি নতুন বস্তা বরাদ্দ ছিল। উক্ত বরাদ্দের চাল ও বস্তার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ১১ হাজার ৩’শ টাকা। মোট ৮ লাখ টাকা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ রহস্যজনক ভাবে আত্মসাত করেন। খাদ্যগুদাম কর্মকার্তার দুনর্ীতি ও তার বরাদ্দের আত্মসাতকৃত অর্থ উত্তোলনে ব্যর্থ হলে কুড়িগ্রাম জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.