
নাটোরের নলডাঙ্গা, থেকে সান্টু ইসলাম প্রতিনিধি
নাটোরের নলডাঙ্গায় ইসলামী যুব সমাজের আয়োজনে উপজেলার মাধনগর বাজার ইমামবাড়ী ঈদগাহ্ ময়দানে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ২০২৫ অনুষ্টিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথি করা হয়েছে,নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,মোঃ রেদুয়ানুল হালিম,বিশেষ অতিথি, নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম,হাফেজ মাওঃ মুফতি আমীর হামজাকে প্রধান বক্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিদের দাওয়াত প্রদানসহ পোষ্টার,ব্যানার,তোড়ন,গেট তৈরির কাজ শেষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে প্রচারনা।
তারপরও তাতে পরিকল্পিত ভাবে বাধা প্রদান করছে,একটি দলের নেতারা,বলে অভিযোগ করেছেন আয়োজন সংশিষ্টরা। সেই তাফসীরুল কুরআন মাহফিল আয়োজন নিয়েই শুরু হয়েছে উত্তেজনা। চারিদিকে বইছে নিন্দার ঝড়! যা গড়িয়েছে থানা ও উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাটোরের নলডাঙ্গা থানা ও উপজেলা পরিষদে উপস্থিত হয়,আয়োজক কমিটি ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোক। বর্তমানে বিষয়টি নতুন করে,জেলা ব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
তাফসীরুল কুরআন মাহফিল আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক,কমিটির সদস্য জিয়াউর রহমান,মাজেদুর ইসলাম,মোঃ শহিদুল ইসলাম,মোঃ শাহাদৎ হোসেন বলেন,একটি দলের কিছু ব্যাক্তি এই দান বিহীন আয়োজনকে বাঁধা প্রদান করছে। যা বিগত ৫ বছর কেউ কোন বাঁধা দেয়নি। কিন্তু বর্তমানে একটি দলের কিছু ব্যাক্তি,নিজ স্বার্থে ইসলামিক আয়োজনে বাঁধা দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছে। আমাদের এই আয়োজন অনেক দিন থেকে প্রস্তুতির কাজ চলছে,তারা মৌখিক অনুমতিও প্রদান করছে,এখন সব আয়োজন শেষের পথে,এই মুহুতে একটি দলের কিছু লোকের প্রভাবের কারনে,তারা আমাদের আর আয়োজন করতে দিচ্ছে না। এসময় দান বিহীন তাফসীরুল কুরআন মাহফিলের বাধা দেওয়া মানে ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সামিল।
আমরা যেখানেই যাচ্ছি,যেখানেই স্থান চাচ্ছি, সেখানেই বাঁধা প্রদান করা হচ্ছে। তাই আমরা আজ বিষয়টি নিয়ে,উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা ও নলডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার সাথে দেখা করতে আসছি। যতই বাধা আসুক,আমরা চাই এই আয়োজন সফল করতে।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,আয়োজক কমিটির সদস্যরা আসছিলো। আমীর হামজা উনি বড় মাপের লোক,অনেক লোকজন আসবে। আমি বললাম আমাদের পুলিশ সুপার স্যারের কাছে একটা আবেদন করেন। আমরা তদন্ত করে দেখে,আপনারা স্থান কোথায় নির্ধারিত করবেন,এগুলো আপনাদের বিষয়। আমরা পারমিশন দেওয়ার পরে প্রয়োজনে স্যার ফোর্স দিবে আমরা করে দেবো সমস্যা নাই ।
নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,মোঃ রেদুয়ানুল হালিম বলেন,আয়োজক কমিটির সদস্যরা আসছিলো। আমরা এটা বিধি মোতাবেক দেখবো,এটা কি করা যায়। আইনানুক ভাবে যা হয়,তাই হবে সমস্যা নাই।