
রৌমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
ব্রহ্মপুত্র নদীভিত্তিক নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক ও সহজতর করার লক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ফেরিঘাট স্থানান্তরের উদ্যোগে পরিদর্শন। এরই অংশ হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ রফিকুল করিম এনডিসি। মঙ্গলবার ০২ সেপ্টেম্বর রৌমারী ও বদলমারা নৌকা ঘাট সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
তিনি এদিন ব্রহ্মপুত্র নদীর চিলমারী-রৌমারী নৌ-পথের গুরুত্বপূর্ণ দুই ফেরিঘাট রৌমারী ফেরিঘাট বলদমারা এলাকা এবং চিলমারী ফেরিঘাট ও ফকিরহাট এলাকা স্থানান্তরের জন্য সম্ভাব্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করতে সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে তিনি সংশ্লিষ্ট ফেরিঘাটগুলোর ভৌগোলিক অবস্থা, নদীর নাব্যতা, নিরাপত্তা ও যাত্রীসাধারণের ভোগান্তির বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করবেন। পাশাপাশি নতুন সম্ভাব্য স্থানগুলোতে যাত্রী ও যানবাহন ওঠানামার সুবিধা, অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের মতামত বিবেচনা করা হবে।
এসময় স্থানীয় প্রশাসন রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজ্জ্বল কুমার হালদার ও উপজেলা প্রকৌশলী মনছুরুল হক, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা ফেরিঘাট স্থানান্তর হলে দীর্ঘদিনের নৌ-যোগাযোগজনিত সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তারা আশা করছেন, নতুন ঘাট নির্ধারণের মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে গতি আসবে এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যও আরও সমৃদ্ধ হবে।
একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী আহসান বলেন, “বর্ষা মৌসুমে নৌপথের দুরাবস্থার কারণে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। নতুন ঘাট হলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।
পরিদর্শনের সাথে আসা একজন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের উদ্যোগ নদীপথের টেকসই উন্নয়ন ও যাত্রীসেবা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফেরিঘাট স্থানান্তরের এই পদক্ষেপকে কুড়িগ্রামবাসীর জন্য একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
ধুনটে ১০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা
রাতেও বন্যার্ত মানুষের পাশে এমপি আব্দুস সাত্তার
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী