
এইচ. এম. রুহুল কাদের, চকরিয়া: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থিত পহরচাঁদা মছনিয়াকাটা খালকে ঘিরে সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর একটি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার কর্তৃক বৈধভাবে ইজারা নেওয়া এই খালটি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ইজারাদার মোঃ কমর উদ্দিন রিপন।
আবেদনকারীর ভাষ্য মতে, ১৪৩২ বাংলা সনের জন্য বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা মছনিয়াকাটা খালটি বৈধ প্রক্রিয়ায় ইজারা গ্রহণ করেন তিনি। ১৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রকাশ্য নিলামে সর্বোচ্চ ডাককারী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি খালের ইজারা লাভ করেন। নিয়ম অনুযায়ী খালের পানি ব্যবস্থাপনা ও মাছ ধরার জন্য জাল বসাতে গেলে স্থানীয় একদল চক্রের বাধার সম্মুখীন হন তিনি।
অভিযোগে জানানো হয়, পহরচাঁদা ৭নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি নুরুল হক, ও ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মনছুর আলমের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি দল ইজারাকৃত খালের মধ্যে জোরপূর্বক জাল বসিয়ে দেন। এতে ইজারাদার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলারও অবনতি ঘটে।
মোঃ কমর উদ্দিন রিপন আরও জানান, বারবার নিষেধ করার পরেও অভিযুক্তরা তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান এবং তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকিও দিয়ে আসছেন। কোনো ধরনের বৈধ ইজারা ছাড়াই তারা এভাবে জবরদখল চালিয়ে যাচ্ছেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ইজারাদার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন তিনি আগামীকাল থেকেই তার বৈধ ইজারাকৃত খালে নির্বিঘ্নে জাল বসাতে পারেন এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তিনি আইনি সহায়তা ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং কোনো রকম সহিংসতা না ঘটে।
অভিযুক্ত নুরুল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, খালটি ইজারা না দেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলা , তাই আমরা আপাতত দখলে আছি। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।