
জানা যায়, বেলকুচি উপজেলার চালা সাতরাস্তা এলাকার মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে মো: বাপ্পি (৪০) ২০২৩ সালের মে মাসে এবং সেনভাঙ্গাবাড়ি উত্তরপাড়ার মৃত আলতাফ সরকারের ছেলে মো: পাষান (৩৭) ২০১৮ সালের মার্চে র্যাব-১২ এর মাধ্যমে আত্বসর্মপণ করেন। এদের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলা ছিল। এলাকায় এতোদিন তারা অনেকটা শান্ত থাকলেও সম্প্রতি এই দুই সর্বহারা সদস্যের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরা যমুনা নদীর বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রনের জন্য ২০২৫ সালের ২৩ ও ২৬ এপ্রিল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যমুনা নদীর অভ্যন্তরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটিয়ে আতংক ছড়ায়।
এ বিষয়ে মামলার বাদী কাইয়ুম প্রামানিক বলেন, আমি যমুনা নদীর বৈধ বালু ব্যবসায়ী। আমাদের উপরে দুইবার গুলিবর্ষণ ও মারধর করা হলেও পুলিশ মামলার কোন আসামীকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ঘটনাস্থল থেকে ৪টি গুলির খোসাও উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপরোন্ত আসামীরা আমাকে ও মামলার সাক্ষীসহ আত্বীয়-স্বজনদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং মোবাইলে হুমকি দিচ্ছে। আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীণতায় ভুগছি।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি জাকেরিয়া হোসেন রবিবার বিকেলে বলেন, বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে একাধিকবার মারধর, বসতবাড়ি ভাংচুর ও গুলিবর্ষণের মত ঘটনা ঘটেছে। এক পক্ষ মামলা করলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আমরা গুরুত্ব সহকারে এসব বিষয়ে তদন্ত করছি।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো: বাপ্পি ও পাষানকে মোবাইল করা হলেও রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন
নাগরপুর-দেলদুয়ারের বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সক্রিয় এমপি রবিউল আওয়াল লাভলু
কাউখালীতে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে পুনরায় পদায়নের অভিযোগ
আশুরার আত্মত্যাগের মহান শিক্ষা আমাদের সকলেরই গ্রহণ করতে হবে: খাজাবাবা কুতুববাগী