প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ২:১৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৫, ২০২৫, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারন রোগী না দেখার সাইনবোর্ড জরুরি বিভাগে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে জরুরি সেবা চললে ও । স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা জ্বর, সর্দি,কাশি, মাথা ব্যথা এসব রোগী না দেখার সাইনবোর্ড জরুরি বিভাগে। । এ কারণে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা অনেক রোগীকে চিকিৎসা ছাড়াই ফেরত যেতে হচ্ছে। ফলে তারা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। গতকাল শনিবার (১৪ জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করে এইসব চিত্র দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই অচলাবস্থা চলছে। জরুরি সেবার প্রয়োজনীয়তা না থাকা রোগীদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রৌমারী উপজেলায় প্রায় ৩ লক্ষ মানুষের বসবাস। গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসা সেবা পৌছে দেওয়ার জন্য ৬টি ইউনিয়নের ৩২ টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থা্পন করা হয়েছে। ওই ক্লিনিকগুলোতে স্থানীয়রা চিকিৎসাসেবা না পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন।
দীর্ঘদিন থেকে জরুরি বিভাগে সব রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ যোগদানের পর এই নিয়ম পাল্টে দিয়েছেন। জানা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা উপজেলা গেটে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে দুপুর ২ টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রোগী দেখেন। জরুরি বিভাগে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়াবস্থায় রোগীরা ওই ক্লিনিকগুলোতে যেতেন না। ফলে চিকিৎসকরা তাদের চেম্বারে তেমন কোন রোগী পায় না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎিসকদের বিরুদ্ধে।
দঁাতভাঙ্গা গ্রাম থেকে আসা মো. ইউনুস আলী বলেন, ডাক্তাররা চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন এটা আমি জাননি না। চিকিৎসার জন্য আমি আমার বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে আসছি। কিন্তু জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা ডা. আরিফুজ্জামান আমার বাচ্চাকে চিকিৎসা না দিয়ে বাহিরে যেতে বলেন। তিনি আরোও বলেন, আমার বাচ্চার শরীরে পক্স বের হওয়ায় যন্ত্রণায় ছটফট করািছল ডাক্তারের সামনেই। আমি বারবার অনুরোধ করার পরেও আমার বাচ্চাকে চিকিৎসা দেয়নি ওই চিকিৎসক। ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে ডাক্তারের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা নেওয়ার মতো সক্ষমতা আমার নেই।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, আমি বর্তমানে বাহিওে আছি। জরুরি বিভাগে চিকিৎসা না পেয়ে রোগী ফেরত যাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কোন রোগী যাতে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সে ব্যবস্থাই নেওয়া হবে। কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন রোগীদের চিকিসৎসা না দিয়ে ফেরত দেওয়া ঠিক হয়নি। তারপরেও আমি এখনই কথা বলছি।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.