হোম » সারাদেশ » চকরিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ লুট ও সেবাপ্রার্থীদের সাথে দূর্ব্যবহারের অভিযোগ 

চকরিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ লুট ও সেবাপ্রার্থীদের সাথে দূর্ব্যবহারের অভিযোগ 

এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নবিউল হাসানের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি নিষেধের তোয়াক্কা না করে পরিষদ সংলগ্ন সরকারি দিঘীর মূলবান (ছায়াবৃক্ষ) গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সেবাপ্রার্থীদের সাথে দূর্বব্যবহারসহ নানান অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।  এনিয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।  চকরিয়া উপজেলাধীন পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা যুবনেতা সিকদার আতিক উল্লাহ ছিদ্দিকী বাদী হয়ে ২৬ মে ‘২৫ইং দুপুরে এ অভিযোগটি করেন।
অভিযোগে তিনি জানান, পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নবিউল হাসান গত ২৫মে’২৫ ইং  পূর্ব বড় ভেওলা পরিষদ সংলগ্ন সরকারি দিঘীর সরকারি গাছ তার নিজস্ব লোকবল নিয়ে সরকারি কোন বিধি নিষেধ তোয়াক্কা না করে নিজের ভোগ-বিলাশের জন্য সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার মত জগন্য সরকার বিরুধী অপরাধ করেছেন। তাহা ছাড়াও সরকারি কোন বিধিমালা না মেনে ইচ্ছেমতো ইউপি কার্যালয়ে আসা যাওয়া করেন। অফিসের সময়সূচি না মানার কারণে সেবা গ্রহীতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আগত সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে তাহার আচরণ আচরণ খুবই ঔদ্ধত্যপূর্ণ । সেবা প্রার্থীরা তাহাকে বারবার অনুরোধ করার পরও কারও কথাই কর্ণপাত করছেননা। সেবা গ্রহীতাদের বাকবিতণ্ডা করে রুম থেকে বের করে দেয়ার ঘটনাও নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সচিবের বাজে আচরণের শিকার শুধু সেবাগ্রহীতা নয়, অত্র ইউনিয়নের সচেতন নাগরিক তাহার এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বিব্রত।
আরো অভিযোগ উঠেছে; পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের অনলাইন জন্মসনদে সরকারী রেটের চেয়ে অতিরিক্ত ফিঃ আদায়, ওয়ারিশ সনদ ও জাতীয়তা সনদে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন একই জায়গায় অবস্থানের কারণে এলাকার দুষ্ট প্রকৃতির লোকজনের সাথে সমন্বয় করে আলাদা বলয় তৈরি করেছেন তিনি ।
অনুগত লোকজনের মাধ্যমে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন বরাদ্দ নিজের মতো করে দিয়ে পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন।
ইউপি সচিব পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের টেলিভিশনটিও তার নিজবাড়িতে নিয়ে যায়।  তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় চাকুরী করার কারণে তার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইউনিয়ন প্রশাসক আল আমিন বিশ্বাস বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে অবগত নয়।  চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!