প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ১০:২৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২১, ২০২৫, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
রৌমারীতে পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাচ্ছে কৃষকের সপ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে সীমান্ত ঘেঁষা জিঞ্জিরাম নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার রৌমারী সদর সহ, যাদুরচর চর শৌলমারী ১নংদাত ভাংগা ইউনিয়ন সহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভেসে যাচ্ছে কৃষকের সপ্ন। এতে প্রায় দেড়শতাধিক হেক্টর জমির পাঁকা ,ইরিধান কাউন,চিনা সহ শাকসবজী ডুবে গেছে।এদিকে শ্রমিক সংকট ৯শত টাকা দিনমুজুরী হওয়ায় ধান কাটতেও হিশশিম খাচ্ছে কৃষকরা। পাঁকা ধান ডুবে যাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষক।
বুধবার(২১মে) বেলা ১০টার দিকে বিভিন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝাউবাড়ি, লাঠিয়ালডাঙ্গা, চুলিয়ারচর, বারবান্দা, পূর্বইজলামারী, ভুন্দুরচর, চান্দারচর, মোল্লারচর, বেহুলারচর, খেতারচর, ঝগড়ার চর, বড়াইবাড়ি সহ কয়েকটি গ্রাম এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করে। বন্যার পানি ও ভারী বৃষ্টি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি হওয়ায় এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
সীমান্ত ঘেঁষা আলগার চর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, এনজিও থেকে লোন নিয়ে অনেক কষ্ট করে এক একর জমিতে ইরি ধানের আবাদ করছি। আশা ছিল, এবার অনেক ধান ঘরে তুলতে পারবো কিন্তুু সব শেষ হয়ে গেল।
রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কয়েকদিনের টানা বর্ষনে আমার ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। সেই সাথে কৃষকের ইরি ধান পানিতে ডুবে গেছে। এ অবস্থা থাকলে পরিস্থিতি আরোও খারাপের দিকে যাবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধুরী জানান, চলতি মৌসুমে দশ হাজার হেক্টর জমিতে বোরা ধানের চাষাবাদ হয়েছে। এবছর বোরা ধানের ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তুু কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ও পাহাড়ি ঢলে সীমান্ত ঘেঁষা বিভিন খাল-বিল ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে ক্ষতি সাধিত হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বোরাধান, কাউন, চিনা, শাকসবজি ও তিল সহ ৮৫ হেক্টর জমির বিভিন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে আংশিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভনা রয়েছে। তবে দ্রুত পানি শুকিয়ে গেলে তেমন একটা ক্ষতি হবেনা।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.