প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৩, ২০২৬, ৯:৪৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ১৮, ২০২৫, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে বালু দস্যুর তাণ্ডবে মৃত্যু ঝুঁকিতে হাজারো চারাগাছ : প্রশাসন নিশ্চুপ

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ সারাবিশ্ব যখন বৃক্ষ রোপণ জলবায়ু পরিবর্তন ভূমিধস রোধ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় তৎপর। ঠিক সেই সময় সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলায় চলছে বালু দস্যুদের ভয়াবহ তাণ্ডব। যার কুপ্রভাব পড়েছে হাজারো তাল খেজুর গাছের উপর। নিরাপদে নেই কৃষি জমি পরিবেশ প্রকৃতি ও মানুষ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও রোভার স্কাউটস এর সদস্যদের যৌথ উদ্যোগে কাজিপুর উপজেলার সোনামুখি থেকে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলায় যাতায়াত পথ সংলগ্ন ইছামতি নদীর উত্তর পাড়ে (মৎস্য অভয়ারণ্য এর পাশে) কয়েক হাজার তাল ও খেজুর বীজ রোপণ করা হয়। যা দূর দূরন্ত থেকে দৃশ্যমান ও দৃষ্টি নন্দন ছিল। অদূর ভবিষ্যতে এই চারা গাছ গুলো জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বজ্রপাত ভূমি ধস খরা বন্যা রোধ সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুকাবিলা করতো। কিন্তু দুঃখের বিষয় অঙ্কুরেই বিনষ্ট হবার পথে হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর স্বপ্ন। যার নেপথ্যে রয়েছে অসাধু বালু দস্যুর একটি চক্র।
অনুসন্ধানে জানা যায়,দক্ষিণ পাইকপাড়া গ্রামের সেলিম নামের এক বালু দস্যু রাতের আধাঁরে ও ভোরের আলো ফোটার আগেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহন ব্যবহার করে নিয়মিত নদীর পাড়ের বালু কেটে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে অতিরিক্ত বালু আরোহন ও গাড়ির দিক বেদিক চলাফেরায় নদীর পাড়ে রোপণকৃত কয়েক হাজার তাল ও খেজুর চারা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
এ প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী ও বৃক্ষরোপণকারী জনতা জানান, স্থানীয় ভাবে ইতোপূর্বে মুঠোফোনে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে কিন্তু বালু কর্তন বন্ধ হচ্ছে না। স্বেচ্ছাসেবীদের বিশ্বাস চারা গাছ গুলো সংরক্ষণের জন্য শিঘ্রই কাজিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিদিষ্ট সাইনবোর্ডের ব্যবস্থাসহ বালু দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তা না হলে চারা গাছ গুলো বিলিন হওয়ার সাথে সাথে ভূলুণ্ঠিত হবে হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর লালিত স্বপ্ন। বালু দস্যুদের অবৈধ শক্তির উৎস্য কী তা নিয়ে চলছে গুঞ্জন, কেন প্রশাসন নিশ্চুপ? কেন বাঁচবেনা চারা গাছ গুলো?
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.