
এদিকে, জেলা পুলিশ বলছে, যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়ক, হাটিকুমরুল-বনপাড়া, ঢাকা-বগুড়া ও ঢাকা-পাবনা মহাসড়কসহ সিরাজগঞ্জের ৮৮ কিলোমিটার মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে গঠিত কমিউনিটি পুলিশও কাজ করবে। এতে সড়কে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দ্রুত সরিয়ে ফেলা সম্ভব হবে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, আসন্ন ঈদুফ ফিতরে উত্তরের ঈদযাত্রা হবে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক। এই ঈদে একসঙ্গে সবার ছুটি এবং বাড়ি যাওয়ার জন্য সড়কে একটু চাপ থাকলেও কোনো যানজট থাকবে না। এজন্য জেলা পুলিশ ও সড়ক বিভাগের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করা হয়েছে।
যানজট এড়াতে প্রস্তুতির কথা জানিয়ে যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল হক পাভেল বলেন, সেতুতে যানজট এড়াতে উভয় পাশে ১৮টি টোল বুথ থাকবে। যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য ব্যবহৃত হবে চারটি। আহসানুল হক পাভেল আরও বলেন, সেতুর ওপর কোনো গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনা কবলিত হলে ঘটনাস্থলে রেকার নিয়ে যেতেই বেশ সময় লাগে। এজন্য সেতুর সংযোগ সড়কের দুই পাশে দুটি রেকার ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি থাকবে। সবমিলিয়ে এবার উত্তরের ঘরমুখো মানুষ স্বস্তি নিয়ে পরিবারের কাছে ফিরবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, এবার উত্তরের ঈদযাত্রায় চারলেনের মহাসড়কের সুফল পাবে। বর্তমানে মহাসড়কের অবস্থা আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও ভালো রয়েছে। মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ চলছে। আশা করছি আইন মেনে যানবাহন চলাচল করলে এই ঈদে ঘরমুখো মানুষের সমস্যা হবে না।
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক হোসেন বলেন, মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে কাজ করছি। এ বছর ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। সবাইকে যানজটমুক্ত মহাসড়ক উপহার দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।
(এসপি) ফারুক হোসেন আরও বলেন, মহাসড়কের কোথাও যানবাহন দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। কোনো যানবাহন বিকল হয়ে পড়লে দ্রুত সেটা সরিয়ে মহাসড়ক সচল করা হবে। এজন্য উদ্ধারকারী রেকার ও চেইন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মজুত থাকবে। প্রস্তুত থাকবে উদ্ধারকারী টিমও।