প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৪:০৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ১৩, ২০২৫, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ধুনট সরকারী নইম উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার ধুনট সরকারী নইম উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস মিম এর বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকুরী নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছেন বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার রমজান আলী আকন্দ। ধুনট পৌর এলাকার পশ্চিম ভরনশাহী গ্রামের হাবিবা সুলতানা জানান, ২০২৩ সালে ধুনট সরকারী নইম উদ্দিন পাইলট বিদ্যালয়ের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তফিজ উদ্দিন বিজ্ঞান বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের জন্য সরকুলার দেন।
হাবিবা সুলতানা নিজেও একই বিদ্যালয়ের খন্ড কালীন শিক্ষক পদে আবেদন করেছিলেন। সকল যোগ্যতা থাকার পরেও তার ভাগ্যে চাকুরীটা জোটেনি। হাবিবা অভিযোগ, তৎকালীন দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তফিজ উদ্দিন অনৈতিক সুবিধা পেয়ে স্বজনপ্রীতীর মাধ্যমে জান্নাতুল ফেরদৌস মিমকে চাকুরী দিয়েছেন। এতে হাবিবা সুলতানা ২০ জানুয়ারী জান্নাতুল ফেরদৌস মিম এইচ এসসি পাশের হয়ে বিএসসি (অনার্স) পাশের সনদ জালিয়াতি করে চাকুরি নিয়েছেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করে আমি বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। ওই অভিযোগের বিষয়ে সোমবার থেকে বগুড়া শিক্ষা অফিসার রমজান আলী আকন্দ তদন্ত কর্যক্রম শুরু করেছেন।
শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসী মিম বলেন, শক্রতা করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। ধুনট সরকারী নইম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি দুই মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছি । খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ে কিছুই জানি না। তবে শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস মিম এর নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত শুরু করেছেন। তিনি গত সোমবার সরেজমিনে বিদ্যালয়ে এসে নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত কাগজ পত্র নিয়েছেন।
বগুড়া জেলা শিক্ষা রমজান আলী আকন্দ বলেন, খন্ডকালীন শিক্ষিকা নিয়োগের বিষয়ে অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছি। শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসের নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও সদন পত্র নিয়েছি। সব কিছু যাছাই বাছাই করে তদন্ত রির্পোট মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করা হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.