
এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া : জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ বাতিলের সাথে আপোষহীন ভাবে মোকাবেলা করে এগিয়ে গেছেন। এমনকি ফাঁসির মঞ্চে যেতেও দ্বিধাবোধ করেনি । জামায়াতে ইসলামী নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চায় । ইসলামের বিরুদ্ধাচরণকারীরা নিজের পিতা-মাতা হলেও কোনো ধরনের আপোষ নয় । আল্লাহ এবং তার রাসূল (সা) মুসলমানদের চুড়ান্ত বন্ধু । বিগত স্বৈরাচারের আমলে শত হামলা-মামলায় জামায়াতে ইসলামীকে স্তব্ধ করতে পারেনি । জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে সেই জুলুমের শেষ হয়েছে , এটাই আল্লাহর সিদ্ধান্ত ছিল ।
শত শাহাদাতের নাজরানায় দেশ-বিদেশে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে । তার ধারাবাহিকতায় জামায়াত দেশের প্রথম সারির রাজনৈতিক দলে পরিণত হওয়ায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রও বৃদ্ধি পেয়েছে । আওয়ামী লীগের মাধ্যমে ভারত জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছিল । যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, সামনে ইসলামী শক্তিই বড় শক্তিতে পরিণত হবে । আমাদেরকে সতর্ক ও দৈর্য্যের সাথে অগ্রসর হতে হবে ।
সোমবার (১০ মার্চ) জামায়াতে ইসলামী চকরিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমেদ আনোয়ারী উপরোক্ত কথা বলেন ।
চকরিয়া সরকারি কলেজের হল রুমে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান আলোচক ছিলেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা মুফতি হাবিবুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম । জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আক্তার আহমেদ,
চকরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা আবুল বশরের সভাপতিত্বে, সেক্রেটারী মাওলানা ছৈয়দ করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, চকরিয়া পৌর আমীর আরিফুল কবির, মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা আমীর ফরিদুল আলম চৌধুরী, সাবেক উপজেলা উত্তর আমীর মাওলানা ছাবের আহমেদ ফারুকী, দক্ষিণের সাবেক আমীর মাওলানা মোজাম্মেল হক,খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক,বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান ।