
এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া: চকরিয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী লামা ফাইতং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মগনামা পাড়া এলাকায় কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শহীদ হোছাইন চৌধুরীর ৩০৬ নং ফাইতং মৌজার ক্রয়কৃত জায়গাজমি জবরদখলের চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় স্থানীয় নিরিহ জনগণের বিরুদ্ধে গণহারে মামলা দেয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
১০ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়,ফাইতং ইউনিয়নের মগনামা পাড়া এলাকায় কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শহীদ হোছাইন চৌধুরী জীবিত থাকা অবস্থায় ৩০৬নং ফাইতং মৌজার দিলু আরা বেগমের রেকর্ডীয় খতিয়ানের ২৩৩৬নং দাগের থেকে ২০০৯সালে রেজিস্ট্রিমূলে পাঁচ একর জায়গা খরিদ করেন।পরবর্তীতে তার স্বামী এডভোকেট মমতাজ আহমেদ থেক(৫)একর জমি ক্রয় করে মালিকানা অর্জন করেন চেয়ারম্যান শহীদ হোছাইন চৌধুরী।
স্থানীয়রা বলেন,ফাইতং মৌজায় চিহ্নিত দুইটি দাগের ১০একর জমি খরিদসূত্রে মালিক শহীদ হোছাইন চৌধুরী,তার মৃত্যুর পরবর্তীতে ওয়ারিশগণের নামে সৃজিত রেকর্ড চুড়ান্ত আছে।উক্ত জমি বিরোধে আদালতের বিচার প্রক্রিয়াধীন বলে শুনেছি।
ভুক্তভোগী বদিউল আলম জানান, হঠাৎ রাতের আঁধারে ১০/১৫জন সন্ত্রাসী নিয়ে জোরপূর্বক জবরদখল করে স্থাপনা নির্মাণে বাঁধা দিলে একাধিক মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করে আমি সহ আলম নুরুল আলম,এখলাস,জসিম,ছৈয়দ,আবদুল্লা,রুহুল আমিন,লোকমান,বাদশা, মনির এবং আরও ১০/১৫ জন অজ্ঞাত নামা আসামী করে আদালতে মামলা করে আর্থিক হয়রানি করেন । মমতাজ গংয়ের নেতৃত্বে জবরদখলে বাঁধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেন সন্ত্রাসীরা । ওইসব ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে কোতুহল সৃষ্টি হয় । গ্রাম্য শালিসি বৈঠকের রায় রোয়েদাদ আমাদের অনুকূলে আছে।এনিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে বদিউল আলমসহ স্থানীয়রা।