প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৯:১৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৫, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামে মাঘের শীতে কাহিল ব্যাহত জনজীবন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: সীমান্ত ঘেঁষো জেলা কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের তীব্রতা। ঠান্ডায় ব্যাহত জেলার জনজীবন।গত৩দিনেও মিলছেনা সুর্যের দেখা। শীতে কষ্টে পড়েছে অতিদরিদ্র ছিন্নমূল ,শ্রমজীবী এবং নদ- নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষেরা। ঠান্ডায় লোকজন জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। গত শনিবার (২৫জানুয়ারি) সবর্নিম সকাল ৮ টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস পরিমাপ করেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। যা গত কালের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশি।
মধ্যরাত থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় বাতাসের শীতের তীব্রতা অনুভুত হচ্ছে বেশী। ঠান্ডায় খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছে অনেকেই। এদিকে দিনের বেলা তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সন্ধার পর থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের তীব্র বেশী অনুভুত হয়। তীব্র ঠান্ডা কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। উপজেলার ১নং দাঁত ভাংগা ইউনিয়নের ভ্যান চালক কাদের রহমান বলেন, দুদিন থেকে খুব ঠান্ডা। আজ আরও বেশি ঠান্ডা। হাত পা বরফ হয়ে যায়। গাড়ি চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরা বলেন, গাড়ী চালিয়ে আমার সংসার চলে গাড়ী না চালালে আমার পরিবার সহ সবাইকে না খেয়ে থাকতে হবে। তাই শত কষ্টের পরেও গাড়ী চালাইতে হচ্ছে। চরশৌলমারী ইউনিয়নের সোনাপুর ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ের মােঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, রাতবাড়ার সাথে সাথে ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা আমাদের কাহিল অবস্থা। আমাগো কেউ দেখতে আসেনা এই বিষয়ে কুড়িগ্রাম এানও দুর্যোগ ব্যবসথাপনা অধিদপ্তরের কমকর্তা মোঃ আবদুল হাই জানান জেলার ৯টি উপজেলার শীতার্তদের জন্য ৪৯লাখটাকা ও১২হাজর কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.