হোম » সারাদেশ » শরণখোলায়  কৃষকদের দূর্দশা লাঘবে 

শরণখোলায়  কৃষকদের দূর্দশা লাঘবে 

মোঃ নাজমুল ইসলাম সবুজ  শরণখোলা প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের শরণখোলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় আঞ্চলিক পর্যায়ে ফসলের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে ফসলের নিবিরতা বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য “ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন’’ প্রকল্পের আওতায় শরণখোলার  ধানসাগর ও খোন্তাকাটা ইউনিয়নের মধ্যবর্তী সিংবাড়ী এলাকার কৃষি জমি সংলগ্ন খালের মাধ্যমে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও বর্ষা পরবর্তী শুকনো মৌসুমে মিষ্টি পানি সংরক্ষণ করে সেচের ব্যাবস্থা করতে পারলে প্রায় ২হাজার ৫শ বিঘা জমিতে  কৃষি বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।
বৃহস্পতিবার  (২ জানুয়ারি) দুপুরে সিসিএপি প্রকল্পের পরিচালক শেখ ফজলুল হক মনি’র নেতৃত্বে একটি দল ওই এলাকা পরিদর্শন করেন । এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড.মনির হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচারক (উদ্যান), ডিএই, বাগেরহাট, মোঃ ওমর ফারুক, অতিরিক্ত উপপরিচারক (পিপি), ডিএই, বাগেরহাট, শরণখোলা উপজেলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার, সিসিএপি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার ধিমাণ মজুমদার, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন সভাপতি মুহাম্মদ ছরোয়ার হোসেন বাদল ও সহ-সাধারণ সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ।
এ সময়ে ঐ এলাকার কৃষক এমাদুল হাওলাদার, বাচ্চু হাওলাদার, আউয়াল হোসেন,কবির হোসেন সহ অনেকেই বলেন এখানকার ফসলি জমি জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমানে কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় হুমকি। জলবায়ু পরিবর্তন ফসলের উৎপাদন, স্বাস্থ্য ও উৎপাদনশীলতায় বিরুপ প্রভাব ফেলছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর ধানক্ষেত নষ্ট হয়ে যায় । অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে সেচের অভাবে বোরোসহ রবিশস্য উৎপাদন করা কষ্টসাধ্য ও ব্যায়বহুল হয়।
সিংবাড়ী এলাকার তিন কিলোমিটার খাল খনন করাসহ সেচ নালার ব্যাবস্থা চাষীদের এক ফসলি জমিতে তিন ফসল চাষাবাদ করে ব্যাপক পরিমান ধানসহ রবিশস্য উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানান। এ সময়ে সিসিএপি প্রকল্পের পরিচালক শেখ ফজলুল হক মনি সহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন খাদ্য উৎপাদক ব্যবস্থা টেকশই রাখতে ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও প্রযোগ বাড়িয়ে শত শত কৃষকের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনের লক্ষে তাদের সহোযোদ্ধা হয়ে কাজ করবেন।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!