
গত ২৯ সেপ্টেম্বর চকরিয়া উপজেলার কাকারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল হায়দারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ পত্রে ইউনিক আইডির নামে চাঁদা আদায় করে হিসাব না দেয়া , স্কুলে উপস্থিত থেকেও ক্লাস ফাঁকি, ছাত্রীদের গায়ে হাত,কর্মচারী নিয়োগে চাঁদা দাবি, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা না করা, সিন্ডিকেট করে কোচিং বাণিজ্যসহ অনেক অনিয়ম উল্লেখ করা হয়।
সাবেক শিক্ষার্থী কর্তৃক দেয়া তথ্যে জানাযায়,প্রধান শিক্ষক নুরুল হায়দারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ করেছে । ছাত্রীদের ইভটিজিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ দিলেও বিচার না করা। এছাড়াও স্কাউটের জন্য স্কুল থেকে কোনো ধরনের সহযোগীতা না করা। ইংরেজি,গণিত সহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিন্ডিকেট করে কোচিং বাণিজ্য করার অভিযোগ।
অভিযোগকারী কাকারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, গত দুই মাস ধরে আমরা সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্কুলের অনিয়মের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করে আসছি। তার ধারাবাহিকতায় ২০ সেপ্টেম্বর বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করি। এতে শতাধিক অভিযোগ করেন । আমরা সেখান থেকে বাছাই করে ২৮টি অভিযোগ নোট করে সেগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর উপস্থাপন করি, পরবর্তী তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আস্বস্ত করেছে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল হায়দার বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, সাবেক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ দিয়েছে, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছি ।
-এইচ এম রুহুল কাদের-

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২