হোম » প্রধান সংবাদ » দাগনভূঞায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার অভিযোগ। থানায় মামলা 

দাগনভূঞায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার অভিযোগ। থানায় মামলা 

মোঃআবদুল মুনাফ পিন্টু দাগনভূঞা উপজেলা প্রতিনিধি : দাগনভূঞা উপজেলার উত্তর আলীপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী ডালিম কুমার দাসের স্ত্রী মিতু রানী দাসকে (১৯) হত্যার অভিযোগে গত বুধবার দেবর সহ ৪ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করে নিহতের বাবা রণজিত চন্দ্র দাস। পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর আলীপুর গ্রামের কিশোর কুমার দাসের ছেলে ডালিম কুমার দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিরাহীম পুর গ্রামের রণজিত চন্দ্র দাসের মেয়ে মিতু রানী দাসের বিয়ে হয় বিগত ১১ মাস পূর্বে। বিয়ের পর থেকে সুন্দরী ভাবীর প্রতি কুদৃষ্টি  পড়ে দেবর শ্যামল চন্দ্র দাসের। স্বামী প্রবাসে থাকার সুবাদে দীর্ঘদিন যাবত কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল লম্পট দেবর শ্যামল।
বিষয়টি বাবা-মা,শ্বশুর শ্বাশুড়িসহ আত্মীয়স্বজনকে জানালেও লম্পট দেবরের নির্যাতন বেড়ে যায়। ওইদিন রাতে গৃহবধুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গলা টিপেও নির্যাতন করে হত্যা করে। এলাকায় হার্টএট্যাকে মৃত্যু হয়েছে বলে পাষন্ড দেবর ও তার পরিবার প্রচার করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরদিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঘাতক শ্যামল চন্দ্র দাস, ও তার বাবা কিশোর চন্দ্র দাস , মা স্বতি রানী দাস  এবং মানিক চন্দ্র দাসের ছেলে সুনীল চন্দ্র দাসকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে ।
নিহতের লাশের সুরতহাল প্রস্তুতকারী থানার এসআই আইয়ুব খান  জানান, নিহতের শরীরের আঘাতের চিহ রয়েছে। নিহতের ভাই  ও মা কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, মিতুকে বিয়ের পর থেকে তার দেবর কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে। বিষয়টি নিহতের শ্বশুর  ও শ্বাশুড়িকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে ধর্ষনের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে মাথায় আঘাত, গলা টিপে ও নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ পেলে পালিয়ে যায় শ্যামল। গত কাল রাতে নিহত মিতুকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিরাহীমপুর গ্রামের পিত্রালয়ের পারিবারিক শশ্মানে দাহ করা হবে বলে আরও জানান। থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আসলাম সিকদার মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!