
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সুজাপুর সাতগম্বুজ মসজিদের সীমানা নিয়ে পার্শ্ববর্তী প্লটের মালিকরদের সাথে বিরোধ চলমান। দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইউএনও নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সীমানা নির্ধারনের জন্য নোটিশ করে। এই নোটিশের প্রতিবাদে কমিটির কিছু লোক প্রতিবেশীর গাছ কাটে ও মসজিদের ২নং গেট বন্ধ করে প্রতিবেশী ও অন্য মুসুল্লিদের নামাজে যাতায়াতের বাধা সৃষ্টি করে।
জমি পরিমাপের দিন ০১.১০.২৪ তারিখে মসজিদে ৫০ কেজি গোশত দিয়ে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করেন। গ্রামবাসী যাতে মাপজোগে উপস্থিত থেকে সার্ভেয়ারদের প্রভাবিত করে এবং ভালো খাবার দিয়ে সরকারি আমীন ও সবাইকে খুশী করে ফায়দা নিতে এই ভুঁড়ি ভোজয়ে আয়োজন বলে জানা গেছে। মাপজোগের ২য় দিন ৩.১০.২৪ তারিখে খিচুড়ীর আয়োজন করা হয়। মাপজোগের ৩য় দিনেও (০৬.১০.২৪) খাবারের ব্যাবস্থা করা হয়। অন্য দিকে মসজিদ কমিটি মাপজোগে অবৈধ সুবিধা নিবার জন্য পৌরসভার সার্ভেয়ার মিলন সাহার ভগ্নিপতি মানিক সাহা নামে হিন্দু আমীনকে বিরামপুর থেকে আনে বিষয়টি নিয়ে আমিনের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি মাপ জোক ও আত্মীয়র কথা স্বীকার করেন ।
পবিত্র মসজিদের সীমানা নির্ধারণে সুবিধা নিবার জন্য হিন্দু আমীন নিয়োগ ও মসজিদের টাকায় ভূরিভোজ আয়োজন করা নিয়ে এলাকায় চান্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মুসল্লীদের কয়েকজন সাথে এই বিষয়টি স্বীকার করেছেন। মসজিদ কমিটির সভাপতির মো. মোন্নাফ সরকারের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ভুরিভোজ আয়োজনের কথাটি স্বীকার করেন।পার্শ্ববর্তী প্লট মালিক ডা: মুশফিক বলেন, মাপজোগে প্রভাবিত করতে ভুঁড়িভোজ, আমীন সিন্ডিকেট তৈরী করা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যা প্রচারনা সহ অনেক কূটকৌশল অবলম্বন করেছে কমিটির কিছু লোক।
- দিনাজপুর প্রতিনিধি-