
২০১৩ সালে যারা বলেছে রাতের মধ্যে শাপলা চত্বর না ছাড়লে এদেশে হেফাজতে ইসলামীর কোনো কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না আজ আমরা ঠিকই আছি তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়না ৷ ইতিহাসের গণহত্যাকারী, খুনী, জালিম শেখ হাসিনা ও দোষররা সবাই পালিয়ে গেছে ৷ আমরা পালাইনি ।হেফাজত কখনো পালিয়ে যাবেনা আগামী বাংলাদেশ পরিচালনা করবে হেফাজত । বুধবার বিকালে বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখার আয়োজনে মহাসম্মেলনে বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান বক্তার ভাষণে এ সব কথা বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রিয় যুগ্ন মহাসচীব আল্লামা মামুনুল হক ৷
তিনি আরো বলেন ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ফ্যাসীবাদী আ`লীগ সরকার বিনা কারণে গুলি করে পাখির মত মানুষ হত্যা করেছে । বিশেষ করে ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্তরে রাতের আধারে ইলেকট্রিসিটি বন্ধ করে নবী প্রেমিক মুসলমানদের প্রার্থনারত অবস্থায় গুলি করে হত্যা করেছে ওই জালিম সরকার । বর্তমানে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে শাপলা চত্তরের খুন, চট্টগ্রামের হাটহাজীর খুন, ২৪ সালের ছাত্র-জনতা খুন সহ সকল খুনের বিচার করা হবে এ বাংলার মাটিতে । বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো ছলচাতুরি বরদাশত করা হবে না। হেফাজত অনেক বিষয়ে ছাড় দিতে পারে কিন্তু আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ইমান হরণ করার চেষ্টা করা হলে তাদের চেয়ে কঠোর আর কেউ হবে না। এ দেশে ইসলামবিরোধী কোনো নাস্তিক্যবাদী চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না ৷ বাংলাদেশকে ইসলামশূন্য করতে নানা ষড়যন্ত্র চলেছে। ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে নস্যাৎ করারও ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের অভূতপূর্ব ঐক্য বিনষ্ট করতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের শত্রুরা বিদেশের মাটিতে বসে আবার ষড়যন্ত্র করছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে।
এসময় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আনাছ সাহেবের সভাপতিত্বে মহা সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রিয় সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ পীর, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মনির হোসেন কাশেমী, মাওলানা আতাউল্লা আমিন প্রমুখসহ অন্যান্যরা ৷
-জেএম.মমিন-