
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবীতে বিক্ষাভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন কবলিত স্ুল শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি।গতকাল বুধবার(১৬ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে রৌমারী উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রাম সংলগ ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ বিক্ষাভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়। এ মানববন্ধনে প্রায় ৫শ, শতাধিক জনসাধারণ অংশ নেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একে,এম ফজলুল হক মন্ডল, সোনাপুর উচ বিদ্যালয়ের (ভার:) প্রধান শিক্ষক মোমিনুল ইসলাম, চর শৌলমারী ইউনিয়ন শাখার বিএনপির সভাপতি এমএ ছাত্তার, নাজমা খাতুন, রাহেলা বেওয়া, মহিনুর বেগম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মানান চিশতী, আব্দুল খালেক, ইউনুস আলী, হাফিজুর রহমান ও ফয়েজ উদ্দিন প্রমূখ।
ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে নিঃস্ব নাজমা খাতুন কন্ঠেকান্না বলেন, আমার বাড়িভিটা নদীতে ভেঙ্গে গেছে। আমি এখন খোলা আকাশের নিচে কষ্টেবসবাস করছি। আমরা সরকারের রিলিফ চাইনা সরকারের কাছে দাবী নদী ভাঙ্গন বন্ধ চাই।
একে, এম ফজলুল হক মন্ডল বলেন, নদী ভাঙ্গন একটা বড় সমস্যা। ভাঙ্গনরোধে আমরা অনেক বার স্ানীয় প্রশাসন ও পানি উনয়ন বার্ডের সাথে যোগাযোগ করছি। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। তাই বর্তমান অÍবর্তীকালিন সরকারের কাছে নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কার্যকরি ব্যবস্া নেওয়ার জুররী দাবী করছি।
চর শৌলমারী ইউনিয়ন শাখার বিএনপির সভাপতি এমএ ছাত্তার বলেন, দ্রুত নদী ভাঙ্গনরোধ না করলে প্রাইমারী স্ুল, হাই স্ুল, মাদ্রাসা, মসজিদ ও বাজার নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। এক সময় রৌমারীর মানচিত্র হারিয়ে যাবে । তীব্র স্রোতে ব্রহ্মপুত্র নদের সোনাপুর চর সোনাপুর, গুছগ্রাম, চর গেনদার আলগা, ঘুঘুমারী, সুখেরবাতি, দক্সিণ নামাজের চর, খেওয়ারচর ও হবিগঞ্জ ও খেদাইমারী এলাকায় ভয়াবহ ভাঙ্গন রুপ ধারন করেছে। তীব্র স্রোতের কারনে গত কয়েক দিনে ৫০ টি বশতবাড়ি ও কয়েকশ একর কৃষি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে । নিঃস্ব হয়েছে প্রায় ২০০শত, পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ পরিবারগুলাো বর্তমানে কোন স্ান না পেয়ে নদের পাশে টিনের ছাওনি দিয়ে ঘড় উঠিয়ে ঝুকি নিয়ে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব পরিবার গুলোর পাশে দাড়ায়নি সরকারি বা বেসরকারিসহ কোন জনপ্রতিনিধিগণ।
-কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি-