
বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়া শাখার পরিচালক (প্রশাসন) শাহেদ আলীর অনিয়ম ও স্বজন প্রীতিতে কর্মকর্তা, কর্মচরীরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, শাহেদ আলী গত ২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়া শাখায় পরিচালক হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুলে ইসলামের যোগ সাজসে শাহেদ আলী বেপরোয়া হয়ে উঠেন এবং কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে অসদ আচারন করতে থাকেন।
ব্যাংক সুত্র জানান, শাহেদ আলী একজন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ছিলেন। দলীয় প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে নানা ভাবে হররানী করতেন। তার কথার বাইরে গেলেই নানা সুযোগ সুবিধা সহ পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বেশ কিছু কর্মকর্তাকে। পদোন্নতি বঞ্চিতরা হলো , যুগ্ন পরিচালক (ক্যাশ) আঞ্জুয়ারা বেগম ও একই পদের রুহুল আমিন সহ আরো অনেক কর্মকর্তা। চাকুরির বিধি অনুযায়ী এই দুই কর্মকর্তা সহ বেশকিছু কর্মকর্তার অনেক আগেই পদোন্নতি পাওয়ার কথা থাকলেও কর্মমুল্যায়ন রিপোর্ট না দেওয়ায় তাদের পদোন্নতি হচ্ছে না। একইভাবে হাউজ বিল্ডিং লোনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে যুগ্ন পরিচালক ক্যাশ সেকেন্দার আলী, ক্যাশ অফিসার হেলালুজ্জামান, কর্মচারী মিজানুর রহমান, আরমান আলীসহ বেশ কিছু কর্মকর্তাকে। অন্যায় ভাবে সহকারী পরিচালক হারুনার রশিদের স্টাফ কোয়ার্টারের বাসার ডেকোরেশনের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন অনৈতিক ভাবে।
গত ৮ মার্চ শাহেদ আলী বগুড়া শাখার ২৫ কর্মকর্তাকে জিম্মি করে প্রায় এক লাখ টাকা চাঁদা তুলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গি পাড়া গিয়ে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া শাখার পরিচালক শাহেদ আলীকে সোমবার (১৪ই অক্টোবর) বিকাল অনুমান সাড়ে ৩ টার দিকে তাহার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিং থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেওয়ায় তাহার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
-এম এ রাসেদ-